সুনীলকে ছাড়া খেলার অভ্যাস করতে হবে, কেন এরকম বললেন স্টিমাচ?

ঘরের মাঠ যুবভারতীতে ২-০ গোলে জিতে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে অভিযান শুরু করেছে ইগর স্টিমাচ (Igor Stimac) ভারত। মেন ইন ব্লুর হয়ে দু’টি গোলই করেন সুনীল ছেত্রী (Sunil ...

By Rana Das

Published:

Follow Us
head coach Igor Stimac

ঘরের মাঠ যুবভারতীতে ২-০ গোলে জিতে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে অভিযান শুরু করেছে ইগর স্টিমাচ (Igor Stimac) ভারত। মেন ইন ব্লুর হয়ে দু’টি গোলই করেন সুনীল ছেত্রী (Sunil Chhetri)। ৩৭ বছর বয়সেও ভেল্কি দেখাচ্ছেন সুনীল। প্রায় হাতা তিরিশেক দর্শকদের সামনে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন, কেন ভারতীয় ফুটবলের সেরা তারকা বলা হয় সুনীল ছেত্রীকে।

কিন্তু কেন সুনীলকেই বারবার গোল করে দলকে জেতাতে হবে, কেন অন্যেরা সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন না, এই বিস্ফোরক প্রশ্ন তুললেন ক্রোয়েশিয়ান কোচ। তিনি বলেন, ‍‘ছেলেরা দুর্দান্ত খেলে ভাল ফল অর্জন করেছে। এটা খুবই জরুরি ছিল। ওদের কাছে আমি দুটো জিনিস চেয়েছিলাম, গোল এবং গোল না খাওয়া। দু’গোলে জিতে আমি খুশি। তবে তিন-তার গোলে জিততে পারলে আরও খুশি হতাম। পরবর্তী ম্যাচগুলি নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী।’

   

Igor Stimac

এরপরই স্টিমাচের দাবি, ‍‘আপনারা হয়তো সুনীল ও ব্র্যান্ডনকে তুলে নেওয়া অবাক হয়েছেন। কারণ, ওরা তখন খুবই ভাল খেলছিল। আমাদের আরও দুটো ম্যাচ খেলতে হবে। তাই ফুটবলাররা যাতে চোট না পায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। আজকের ম্যাচেও সুনীলই দুর্দান্ত খেলল। বাকিরা অনেক চেষ্টা করেছে। তবে গোল করতে পারেনি। আশা করি লিস্টন, উদান্ত, মনবীর, আশিকরাও গোল করবে। ওদের গোল করা শুরু করতেই হবে, সুনীলকে ছাড়া খেলার অভ্যাস করতে হবে।’

স্টিমাচের এই কথার পরই জল্পনা শুরু হয়ে যায়, তাহলে কি খুব দ্রুত অবসর নিতে চলেছেন বাংলার জামাই? প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেও, স্টিমাচের বক্তব্য কিন্তু সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। পাশাপাশি সুনীল ছাড়া ভারতীয় দলে গোল করার মতো ফুটবলারের যে অভাব রয়েছে তাও এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে পরিষ্কার করে দেন তিনি।

Rana Das

Rana Das pioneered Bengali digital journalism by launching eKolkata24.com in 2013, which later transformed into Kolkata24x7. He leads the editorial team with vast experience from Bartaman Patrika, Ekdin, ABP Ananda, Uttarbanga Sambad, and Kolkata TV, ensuring every report upholds accuracy, fairness, and neutrality.

Follow on Google