যা প্রত্যাশা ছিল, তাই হল। শনিবার হুবলির KSCA স্টেডিয়ামে ৬৭ বছরের অপেক্ষার অবসান হল। ( Ranji Trophy) বহু ব্যর্থতা, হতাশা ও অপেক্ষার দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস। ঘরোয়া ক্রিকেটে ইতিহাস গড়ল। রঞ্জি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন জম্মু-কাশ্মীর। শক্তিশালী কর্ণাটককে হারিয়ে সোনালী ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়ে ফেলল।
প্রথম ব্যাট করতে নেমে কর্ণাটকের সামনে ৫৮৪ রানের পাহাড় খাঁড়া করে জম্মু-কাশ্মীর। শতরান করেন শুভম পুণ্ডির। বাকিরাও দাপট দেখিয়েছেন ব্যাট হাতে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রান পাননি লোকেশ রাহুল, করুণ নায়ার, শ্রেয়স গোপাল, দেবদত্ত পাড়িক্কলের মতো তারকা ক্রিকেটাররা। কর্ণাটকের অধিনায়ক ময়ঙ্ক আগরওয়াল একা নিজের কাঁধে ম্যাচ টেনে নিয়ে যান।
কর্ণাটকের হয়ে একমাত্র তিনি প্রদীপের শিখার মতো জ্বলতে থাকেন। কিন্তু একা কি আর রানের পাহাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে লড়াই করা সম্ভব? আকিব নবির বলে সাজঘরে ফেরেন। স্কোরবোর্ডে ১৬০ এয়ান যোগ করেছেন ময়ঙ্ক আগরওয়াল। তিনি আউট হতেই কর্ণাটকের জয়ের আশা প্রদীপের শিখার মতো নিভে গেল। ২৯৩ রানে শেষ হয় কর্ণাটকের ইনিংস।
আরও দেখুনঃ ৬ ফুটের উচ্চতা, সুযোগ কেবল ৩ জাতের! সেনার এলিট ‘প্রেসিডেন্টস বডিগার্ড’-কে চেনেন?
৫৪ রান দিয়ে ৫ টি উইকেট তুলে নেন জম্মু-কাশ্মীরের পেসার আকিব নবি। এক মরশুমে সব মিলিয়ে উইকেট সংখ্যা ৬০ টি। এক মরশুমে তৃতীয় পেসার হিসেবে এই নজির গড়েছেন তিনি। তাঁকে ৮.৪ কোটি টাকায় কিনেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ইনিংসেই ২৯১ রানের বড় লিড পেয়ে যায় জম্মু-কাশ্মীর। পঞ্চম ও শেষ দিনে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৪২ রান তোলে।
ওপেনার কামরান ইকবাল অনবদ্য ১৬০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে সাহিল লোতরা ১০১ রানে অপরাজিত ছিলেন। সব মিলিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের লিড দাঁড়ায় ৬৩০ রানেরও বেশি। রঞ্জি ট্রফির নিয়ম অনুযায়ী, ফাইনাল ড্র হলে প্রথম ইনিংসের লিডের ভিত্তিতে ফল নির্ধারণ করা হয়। সেই নিয়মেই চ্যাম্পিয়ন জম্মু-কাশ্মীর।




















