
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের দাপট নতুন নয়। ইতিহাস সাক্ষী বহুবার (East Bengal international legacy)। ১৯২০ প্রতিষ্ঠার পর থেকে সময় যত এগিয়েছে ভারতীয় ফুটবলের অগ্রগতিতে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থেকেছে লাল-হলুদ শিবিরের। দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশে ডালপালা মেলার ক্ষেত্রে ময়দানের বাকি দুই প্রধানের থেকে অনেকটাই সক্রিয় ইস্টবেঙ্গল।
রেকর্ড বলছে ১৯৮৫ সালে শ্রীলঙ্কার মাটিতে কোকাকোলা কাপ জয়ের মধ্য দিয়ে বিদেশি ট্রফি জয় শুরু মশাল ব্রিগেডের। তারপর আট বছরের ব্যবধানে ফের আন্তর্জাতিক ট্রফি আসে ক্লাবে। এবার ক্যাবিনেটে স্থান পায় ওয়াই ওয়াই কাপ।
বাংলাদেশে দীপু হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, দিল্লি ও শিয়ালদহে কর্মসূচি
তারপর আসে সেইদিন ২৬শে জুলাই ২০০৩ সাল। ক্লাবের ইতিহাসে যা এক অনন্য অধ্যায়। জাকার্তার বুকে বিইসি টেরো সাসানাকে পরাজিত করে তৃতীয় আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়। প্রতিবছর সেইদিন আশিয়ান দিবস হিসেবে পালিত হয় লাল-হলুদে।
তৎকালীন কোচ সুভাষ ভৌমিকের হাত ধরে এই বৃহত্তর পর্যায়ে এসেছিল সাফল্য। তারপরের বছর অর্থাৎ ২০০৪ সালে প্রতিবেশী দেশ অর্থাৎ নেপাল থেকে সান মিগুয়েল কাপ। তারপর কেটে গিয়েছিল অনেকটা সময়। গত কয়েক বছরে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ দল।
এমনকি গতবারের হতাশা ভুলে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি এখনও পর্যন্ত। ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ডের পর সুপার কাপের ফাইনালে ও পরাজিত হয়েছে সৌভিক চক্রবর্তীরা। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত কয়েকদিন আগেই বের আন্তজার্তিক মঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করল ইস্টবেঙ্গল। এবার ওমেন্স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ চ্যাম্পিয়ন হল মশাল ব্রিগেড। সুলঞ্জনা রাউল থেকে শুরু করে ফাজিলা ইয়কপুতদের দৌলতে পঞ্চম আন্তর্জাতিক ট্রফি নিজেদের ক্যাবিনেটে আনলো ইস্টবেঙ্গল। সেই নিয়ে যথেষ্ট খুশি সমর্থকরা।
অর্থাৎ সুভাষ ভৌমিকের দেখানো পথেই এবার এগিয়ে গেলেন অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজ। গতবার আইডাব্লুএলের পাশাপাশি কন্যাশ্রী কাপ জিতিয়েছিলেন মশাল ব্রিগেডকে। এবার তাঁর হাত ধরেই আসলো এই অনন্য সাফল্য। ঘন্টাকয়েক আগে নিজেদের সোশ্যাল সাইটে সাফ ট্রফি হাতে অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের একটি ছবি আপলোড করেছে ইস্টবেঙ্গল। যেখানে দেখা যায় ক্লাবের মিউজিয়ামে আশিয়ান কাপ সহ সুভাষ ভৌমিকের মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ওমেন্স টিমের কোচ। পাশের দেওয়ালে লেখা ‘লেগ্যাসি ম্যাটার্স।’ যা রীতিমতো নজর কেড়েছে সকলের।








