Siliguri: ধৃত পাক মহিলা স্পষ্ট বাংলায় বললেন আমি ভারতে জন্মেছি! চমকে গেল পুলিশ

আমি বাংলা জানি! বাংলায় কথা বলুন, বিনা ভিসায় ভারতে ঢুকে ধৃত পাকিস্তানি মহিলা শায়েস্তা হানিফ এমন বলতেই চমকে গেলেন পুলিশ অফিসার। ততক্ষণে পাক মহিলা শায়েস্তা স্পষ্ট বাংলায় কথা ...

By Rana Das

Published:

Follow Us

আমি বাংলা জানি! বাংলায় কথা বলুন, বিনা ভিসায় ভারতে ঢুকে ধৃত পাকিস্তানি মহিলা শায়েস্তা হানিফ এমন বলতেই চমকে গেলেন পুলিশ অফিসার। ততক্ষণে পাক মহিলা শায়েস্তা স্পষ্ট বাংলায় কথা বলতে শুরু করেছেন। আপনি বাংলা কী করে জানলেন? পুলিশের প্রশ্নে শায়েস্তা হানিফ জানান, আমার জন্ম অসমের শিলচরে। আমি জন্মসূত্রে ভারতীয়। বিয়ের সুবাদে পাক নাগরিক। চমকের পর চমক!

জন্মসূত্রে শিলচরের আর বিবাহসূত্রে পাক নাগরিক বলে দাবি করা করাচির বাসিন্দা শায়েস্তা হানিফ কেন গোপনে ভারতে ঢুকলেন তার তদন্ত চলছে। পাকিস্তান থেকে সৌদি আরব, নয়াদিল্লি, কাঠমান্ডু এসেছিলেন তিনি। সাথে তাঁর ছেলে। শায়েস্তা হানিফ জানিয়েছেন, দুজনেই ভারতে আসার জন্য নেপালের পথ বেছে নেন। নেপাল-ভারতের পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের পর দুজনকেই সন্দেহ করে সীমান্তরক্ষীরা। তদের গ্রেফতার করা হয়।

   

দার্জিলিং জেলার খড়িবাড়ি থানার পুলিশ জানিয়েছে, অনুপ্রবেশকারী পাক মহিলার কাছে ভারত, নেপাল সহ বিভিন্ন দেশের টাকা মিলেছে। সবমিলে লক্ষাধিক টাকা পাওয়া গিয়েছে।

Siliguri: শিলিগুড়িতে ধৃত অনুপ্রবেশকারী পাক মহিলার বোন কলকাতার কাছে থাকেন

শায়েস্তা হানিফ জানান তিনি শিলচরে থাকতেন। করাচির বাসিন্দা মহম্মদ হানিফের সঙ্গে মুম্বইয়ে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। তারপরই প্রেম ও বিয়ে। বিয়ের পর কিছুদিন পাকিস্তানে থাকার পর হানিফের সঙ্গে সৌদি আরবের জেড্ডায় চলে যান।  স্বামী হানিফ সৌদি আরবে সোনার অলঙ্কার তৈরির কাজ করেন।শায়েস্তা হানিফ জানান, তার এক বোন কলকাতার কাছে সোদপুরে থাকে।

পাক মহিলা শায়েস্তার বাংলা বচন স্পষ্ট। তিনি জন্মসূত্রে ভারতী নাগরিক কিনা সেই তথ্য যাচাই করছে পুলিশ। আপাতত শায়েস্তা হানিফ ও তাঁর সন্তান সাত দিনের জন্য পুলিশের হেফাজতে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Rana Das

Rana Das pioneered Bengali digital journalism by launching eKolkata24.com in 2013, which later transformed into Kolkata24x7. He leads the editorial team with vast experience from Bartaman Patrika, Ekdin, ABP Ananda, Uttarbanga Sambad, and Kolkata TV, ensuring every report upholds accuracy, fairness, and neutrality.

Follow on Google