
নয়াদিল্লি: শপথ গ্রহণের পর প্রথমবার দু দিনের সফরে দিল্লি গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। (Ritabrata Bandyopadhyay)আর সেখানেই শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বঙ্গ ভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়। এই সাক্ষাৎ নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিশেষ করে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর থেকেই শুরু হয়েছে দল বদলের হিড়িক। অনেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। এই আবহেই ঋতব্রতর শুভেন্দু সাক্ষাতে জল্পনা তুঙ্গে।
বঙ্গভবনের বাইরে যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে বিজেপির সদর দফতর থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বঙ্গভবনে পৌঁছনোর সময় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দিকে এগিয়ে যান। এরপর দু’জনের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় হয় এবং কিছুক্ষণ কথাবার্তাও হয়। যদিও ঠিক কী আলোচনা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
আরও দেখুনঃক্ষেপে উঠছে যুবসমাজ! ককরোচ জনতা পার্টির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সাক্ষাৎ অনেক সময় নিছক সৌজন্য হিসেবেও হতে পারে। বিশেষ করে দিল্লির মতো জায়গায় বিভিন্ন দলের নেতাদের মধ্যে দেখা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই সাক্ষাৎকে ঘিরে জল্পনা তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ রাজ্যের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হল কে কোন শিবিরে থাকছেন এবং ভবিষ্যতে কার রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে যাচ্ছে।
বিজেপির পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, আগামী কয়েক সপ্তাহে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলতে পারে।
দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর একাধিক প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক বৈঠক রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্প, রাজ্যের উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক সমন্বয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে। কিন্তু সেই সফরের মধ্যেই বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।













