
নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Modi-Suvendu) । রাজনৈতিক মহলে এই বৈঠক ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ উপহার হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রতিকৃতি তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী। বাংলার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবেই এই উপহারকে দেখা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর (Modi-Suvendu) মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলছে। কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক, উন্নয়নমূলক প্রকল্প, আর্থিক সহযোগিতা এবং বাংলার চলমান প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে কথাবার্তা হতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের অনুমান। যদিও বৈঠকের নির্দিষ্ট আলোচ্যসূচি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবু এই সাক্ষাৎকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সৌজন্য বিনিময়ের পরই শুরু হয় দু’জনের একান্ত বৈঠক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক জাতীয় ও রাজ্য রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। রাজ্যের বিভিন্ন বকেয়া অর্থ, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্প বিনিয়োগ এবং কৃষি সংক্রান্ত বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের(Modi-Suvendu) প্রতিকৃতি উপহার দেওয়ার মধ্যেও রয়েছে বিশেষ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য। ‘বন্দেমাতরম’-এর রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র শুধু বাংলা নয়, গোটা দেশের জাতীয়তাবাদী চেতনার অন্যতম প্রতীক। তাই এই উপহারকে অনেকেই বাংলার সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনার মেলবন্ধনের বার্তা হিসেবেই দেখছেন।







