পশ্চিম মেদিনীপুর: গড়বেতার সকল কৃষক ও সাধারণ মানুষকে প্রণাম জানাই। বাংলার মাটি সোনার চেয়েও খাঁটি (Yogi Adityanath)। ১৮৫৭ সালে প্রথম স্বাধীনতার স্বতন্ত্র এসেছিল বাংলা থেকেই। ভারতীয় সেনারা বিদেশীদের ঝাড় উপরে ফেলে দিয়েছিল। এই বাংলা স্বামী বিবেকানন্দের বাংলা, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের বাংলা। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন গর্ব করে বলুন আমরা হিন্দু। এই মাটিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু জন্মগ্রহণ করেন।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বলেছিল, তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব। এখন কোন এমন নেতা আছে যে নেতাজির আদর্শকে মেনে চলেন। ভাই ও বোনেরা বর্তমানে তৃণমূল সরকারের চরম অরাজকতা চলছে পশ্চিমবঙ্গে। দেশে স্বাধীনতা আনার জন্য ক্ষুদিরাম বসু হাসতে হাসতে ফাঁসিতে চড়ে ছিল। বন্দে মাতরম এর ১৫০ বছর পূর্ণ হল। এই উপলক্ষে বাংলায় তৃণমূল সরকারের বিসর্জন হওয়ার পর ডবল ইঞ্জিনের সরকার তৈরি হবে।
এই মাটি চিত্তরঞ্জন দাস, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, জগদীশচন্দ্র বসুর মাটিকে আমি প্রণাম করতে এসেছি গড়বেতায়। একদিন বাংলা, ভারতবর্ষের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ ছিল, স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্বও দিতে হয় বাংলার মানুষ, বর্তমানে ওই বাংলায় তৃণমূল সরকার অরাজকতা চালাচ্ছে। মমতা দিদির জয় শ্রী রামে এলার্জি রয়েছে। জয় শ্রীরাম নিয়ে রামের কাজ করলে উনি বাধা দেন, আর রাস্তায় ইফতার পার্টি হলে কিছু বলেন না।
এই ধরনের সরকার ইউপি তে চলত, উন্নয়ন হচ্ছিল না, বর্তমানে মোদিজীর নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকার চলছে, এখন ইউপিতে সবাই স্বনির্ভর। সব থেকে বেশি এয়ারপোর্ট এবং বড় রাস্তা তৈরি হয়েছে উত্তর প্রদেশে। উত্তরপ্রদেশে রাস্তায় কোন ইফতার ও নামাজ হয় না। মসজিদের ভেতর থেকে আজানের শব্দ শোনা যায় না। উত্তরপ্রদেশে অরাজকতা নেই, উৎসব আছে। অর্থব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। এই বাংলায় রামের নাম নিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রেগে যান, সেই রামের ও মন্দির তৈরি হয়েছে উত্তর প্রদেশে।
বর্তমানে উত্তরবঙ্গে গরুকে হত্যা করা হয় না, লাভ জিহাদ ঘটে না, কোন ঘটনা এই ধরনের ঘটলে বুলডোজার চলে যায়। বর্তমানে বাংলায় তৃণমূল অরাজকতা, মাফিয়া রাজ ও দুর্নীতি চালাচ্ছে, উত্তর প্রদেশের মত বাঙাল ডবল ইঞ্জিনের সরকার আর আপনারা, মোদিজীর নেতৃত্বে উন্নয়ন গড়ে উঠবে। আপনাদের কাছে শেষ সুযোগ, বাংলায় হিন্দুত্ববাদী মোদিজীর সরকার তৈরি করার।
এই জন্য আমি উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা থেকে মেদিনীপুরে এসেছি। বাংলায় মমতা দিদি বলেন “খেলা হবে”, বর্তমানে আমি বলছি খেলা শেষ হবে, উন্নয়ন শুরু হবে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো নতুন বাংলা নির্মাণ করার জন্য। সেই জন্য গড়বেতা থেকে প্রদীপ দা কে জিতিয়ে আপনার বিধানসভায় পাঠাবেন।



















