অক্ষয় তৃতীয়া ও আসন্ন বিয়ের মরসুমের ঠিক মুখে সোনা (Gold Price) ও রুপোর দামের লাগামছাড়া ঊর্ধ্বগতিতে কিছুটা স্বস্তির হাওয়া বইল বাজারে। দীর্ঘ কয়েক দিন ধরে যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ক্রেতাদের চিন্তায় ফেলেছিল, সোমবার অর্থাৎ ২০ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিন সেই চাপ কিছুটা কমে আসে। দেশজুড়ে যখন উৎসবের আমেজে সোনার গয়না কেনার ধুম চলছে, ঠিক সেই সময়েই দাম স্থিতিশীল থাকায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে।
শনিবার বাজার বন্ধ হওয়ার সময় সোনার দামে (Gold Price) কিছুটা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছিল, যা অনেককেই দুশ্চিন্তায় ফেলেছিল। তবে রবিবার সকাল থেকে পরিস্থিতি বদলায়। বাজার খুলতেই দেখা যায়, সোনা ও রুপোর দামে আর কোনও বাড়তি ওঠানামা হয়নি। বরং দাম স্থিতিশীল থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে নতুন করে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অক্ষয় তৃতীয়ার মতো শুভ দিনে সোনা(Gold Price) কেনাকে বহু মানুষ সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে মনে করেন। ফলে এই স্থিতিশীল দাম ক্রেতাদের জন্য বড় স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের বিভিন্ন শহরে, যেমন কলকাতা, ইন্দোর, গোয়ালিয়র এবং জবলপুরসহ মধ্যপ্রদেশের বড় বাজারগুলোতে এদিন সকাল থেকেই গয়নার দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। পরিবার নিয়ে বহু মানুষ সোনা কেনার জন্য দোকানে ভিড় করেন। অনেকেই আগেভাগেই পছন্দের ডিজাইন বেছে রাখলেও, অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে কেনাকাটা সম্পন্ন করাকে শুভ বলে মনে করেন।
বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী, ২৪ ক্যারেট সোনার দাম (Gold Price) প্রতি ১০ গ্রামে ১,৫০,৪৭০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে। অন্যদিকে, ২২ ক্যারেট গয়না সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১,৪৩,৩০০ টাকায় অপরিবর্তিত আছে। শনিবারের তুলনায় নতুন করে কোনও বৃদ্ধি না হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। রুপোর দামেও বড় কোনও পরিবর্তন দেখা যায়নি, যা সামগ্রিকভাবে ধাতব বাজারে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। অনেক ক্রেতাই মনে করছেন, দাম আর বাড়ার অপেক্ষা না করে এখনই কেনাকাটা সেরে ফেলা ভালো সিদ্ধান্ত। কারণ আগামী দিনে পরিস্থিতি আবার বদলাতে পারে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজার, ডলার রেট এবং আমদানির খরচের উপর সোনার দাম অনেকটাই নির্ভর করে।




















