ফের IPAC মামলা ঘিরে (IPAC) রাজনৈতিক ও আইনি মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ফের মামলার প্রথম দিনের শুনানিতেই সুপ্রিম কোর্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়ে বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দেয়। বিশেষ করে ইডি-র বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর-এর উপর স্থগিতাদেশ আদালতের সেই নির্দেশ মামলার গতিপথে বড় প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা।
প্রথম দিনের শুনানিতে শীর্ষ আদালত (IPAC) স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আপাতত ইডি-র বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর-এর ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। আদালতের এই স্থগিতাদেশ তদন্ত প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। পাশাপাশি, মামলার সঙ্গে যুক্ত সংবেদনশীল তথ্য ও প্রমাণ সংরক্ষণ নিয়েও কড়া অবস্থান নেয় সুপ্রিম কোর্ট।বিশেষ করে ইডি-র তল্লাশি চলাকালীন প্রতীক জৈনের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেদিন সেখান থেকে যে সমস্ত নথি ও ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেগুলি সংরক্ষণের নির্দেশ দেয় আদালত।
কোনওভাবেই(IPAC) যাতে সেই সামগ্রীতে হস্তক্ষেপ না করা হয় বা তথ্য নষ্ট না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক করে দেওয়া হয়। আদালতের মতে, মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় এই সামগ্রীগুলি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এই মামলার প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জবাবি হলফনামায় সুপ্রিম কোর্টকে জানান, তিনি কোনও তদন্ত সংক্রান্ত নথি বা প্রমাণ বাড়ি থেকে নিয়ে আসেননি। তাঁর বক্তব্য, ঘটনাস্থলে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটেই ছিল, তদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার কোনও উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না। মুখ্যমন্ত্রীর এই হলফনামা মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।এখন মামলার পরবর্তী দিক কী হবে? ইডি কি মুখ্যমন্ত্রীর হলফনামার বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করবে?




















