
আসানসোলের সভায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর (Pm Modi) বক্তব্যে বাংলার যুবক ও শ্রমিক সমাজের বর্তমান পরিস্থিতিকে তুলে ধরা হয়েছে। মোদী (Pm Modi) বলেন, “বাঙালি বিরক্ত। আসানসোল ও দুর্গাপুরের গোটা এলাকা দেশের বিকাশের এক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে শুধু সাইকেল বা স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম থেকে শুরু করে গ্লাসের কারখানার একটি সম্পূর্ণ শিল্প চেন গড়ে উঠেছিল। (Pm Modi) গোটা দেশ থেকে মানুষ এখানে কাজের জন্য আসতেন। কিন্তু এখন এখানকার যুবকরা ঘর ছেড়ে বাইরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। সারা বাংলার এই হাল। বাংলা এই সংকটে ঘেরা।”
প্রধানমন্ত্রী মোদীর (Pm Modi) এই মন্তব্য শুধু স্থানীয় অর্থনীতি ও শিল্পকলার অবনতি নয়, বরং একটি সামাজিক সংকটকেও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। আসানসোল ও দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চল এক সময় সমৃদ্ধির প্রতীক ছিল। এখানে যে কারখানাগুলি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা শুধু স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করত না, বরং গোটা বাংলার প্রায় দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রাখত। সাইকেল কারখানা, রেলপেপার মিলে শিল্প চেন তৈরি করত, যা দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে শ্রমিক ও প্রযুক্তিবিদদের আকৃষ্ট করত।
কিন্তু ধীরে ধীরে শিল্পাঞ্চলগুলোর ধ্বস নেমে আসে। অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, অনেকে আংশিকভাবে কার্যকর থাকে। এর ফলে স্থানীয় যুবকরা কর্মসংস্থানের অভাবে নিজেদের শহর ছেড়ে বড় শহরে অথবা দেশের বাইরে চাকরির খোঁজে যেতে বাধ্য হচ্ছে। মোদী এই পরিস্থিতিকে “বাংলার সংকট” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ, শুধু আসানসোল-দুর্গাপুর নয়, পুরো বাংলাই এখন একটি শিল্প ও কর্মসংস্থান সংকটে আবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ থেকে বোঝা যায় যে তিনি এই অঞ্চলের পুনর্জাগরণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন।

