
খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন খড়গপুরের সেরসা স্টেডিয়ামে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি ভোট দিতে উপস্থিত হন এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন খোশ মেজাজে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কিছুটা আলোচনা তৈরি হয়েছে।
সকাল থেকেই খড়গপুরের বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।(Dilip Ghosh) সেরসা স্টেডিয়াম বুথেও ভোটগ্রহণ শুরু হয় যথাসময়ে এবং ধীরে ধীরে ভোটারদের ভিড় বাড়তে থাকে। এই বুথেই নিজের ভোট দেন দিলীপ ঘোষ। ভোটদানের পর তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি না হলেও উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়িয়ে হাসিমুখে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। দিলীপ ঘোষের এই স্বাভাবিক ও স্বচ্ছন্দ উপস্থিতি ভোটের পরিবেশকে কিছুটা উচ্ছ্বসিত করে তোলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে। তিনি ভোট দিয়ে বেরোনোর সময় খোশ মেজাজে ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। যদিও তিনি কোনও বড় রাজনৈতিক মন্তব্য এই মুহূর্তে করেননি, তবে তাঁর শরীরী ভাষা ও আচরণে আত্মবিশ্বাস স্পষ্ট ছিল বলে মনে করছেন অনেকে।
খড়গপুর সদর কেন্দ্র বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। এই কেন্দ্রের নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রতিবারই কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা যায়। দিলীপ ঘোষ বিজেপির অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে এই কেন্দ্রে লড়াই করছেন, ফলে তাঁর ভোটদান এবং প্রতিক্রিয়া নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ থাকে বেশি। এদিকে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া খড়গপুরে মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবে চলছে বলে জানা গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে প্রতিটি বুথে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের যৌথ নজরদারিতে ভোট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে পরিচালিত হচ্ছে। ভোটারদের মধ্যেও সকাল থেকেই উৎসাহ দেখা গেছে। বিভিন্ন বয়সের মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। বিশেষ করে প্রথমবার ভোটারদের মধ্যে আলাদা উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। খড়গপুরের বিভিন্ন এলাকায় ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক বলেই জানা গেছে। দিলীপ ঘোষ ভোট দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা উচ্ছ্বাস দেখা যায়। তাঁরা জানান, তাঁদের প্রার্থী ভোট দিয়ে আত্মবিশ্বাসীভাবেই বুথ ছেড়েছেন। যদিও বিরোধী শিবির এই ঘটনাকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে না, তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের দিনে প্রার্থীদের এই ধরনের উপস্থিতি ভোটারদের উপর মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে।

