৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের পার্টি অফিসে ঢুকে গিয়েছে CID আধিকারিকরা (CID)। সই জাল কাণ্ডে এখানেই তল্লাশি চালাতে আসেন তারা তবে তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তী তাদের বাধা দিয়েছিলেন।
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল রাজ্য রাজনীতিতে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করেই তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য পুলিশের সিআইডি। তদন্তের সূত্র ধরেই উঠে এসেছে ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ঠিকানা, যা ঘিরে এখন রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
আরও দেখুনঃ ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে শুভেন্দুর হাতে ঘুচল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের ধাম তকমা
সূত্রের দাবি, ওই বিতর্কিত চিঠি বা নথিটি এই ঠিকানা থেকেই পাঠানো হয়েছিল বলে তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই সূত্র ধরেই সোমবার দুপুরে প্রায় ১৭ জন সিআইডি আধিকারিক এবং স্থানীয় শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ যৌথভাবে ওই পার্টি অফিসে পৌঁছান। ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক পুলিশি তৎপরতা দেখা যায়। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায দুজনেই দিল্লিতে । তবে পার্টি অফিসে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তী। সিআইডি আধিকারিকরা ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি ছাড়া এবং যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করে কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
এই নিয়ে সিআইডি কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভাশিস চক্রবর্তীর তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে উত্তপ্ত কথোপকথন চলে। সিআইডি আধিকারিকরা জানান, তারা কোনো অনুমতি নিতে আসেননি, বরং তদন্তের অংশ হিসেবেই তাদের কাজ করতে হবে। অন্যদিকে শুভাশিস চক্রবর্তী নিজের অবস্থানে অনড় থেকে দাবি করেন যে, আইন অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া পার্টি অফিসে প্রবেশ করা সম্ভব নয়। অবশেষে ৪০ মিনিট অপেক্ষার পর তল্লাশির জন্য ভিতরে ঢোকেন CID আধিকারিকরা।




















