চণ্ডীগড়: আম আদমি পার্টির (আপ) জাতীয় কনভেনর ও দিল্লির (Arvind Kejriwal)প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল পাঞ্জাবের ভয়াবহ মাদক সংকট নিয়ে সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, আপ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে পাকিস্তান থেকে ড্রোনের মাধ্যমে ৭০ শতাংশ মাদক পাঞ্জাবে ঢুকত। তাঁদের সরকার সেই রুট বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু এখন ৭০ শতাংশ মাদক আসছে গুজরাট থেকে।
কেজরিওয়াল বলেন, “আমরা ক্ষমতায় আসার আগে পাঞ্জাবে মাদকের বন্যা বয়ে যাচ্ছিল। পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে ড্রোনের মাধ্যমে প্রায় ৭০ শতাংশ মাদক ঢুকত। আমাদের সরকার সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করে সেই রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু বিজেপি শাসিত গুজরাট থেকে এখন নতুন করে মাদক আসছে। এটা স্পষ্ট যে, পাঞ্জাবের যুবসমাজকে ধ্বংস করার একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে।”
আরও দেখুনঃড্রয়িংরুমে সিআইডি-কে বসিয়ে রেখে মিডিয়া ব্রিফিং করলেন কুণাল
পাঞ্জাবে মাদক সমস্যা দীর্ঘদিনের। প্রায় দুই দশক ধরে এই সমস্যা রাজ্যের যুবকদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নষ্ট করে দিচ্ছে। হাজার হাজার পরিবার ভেঙে গেছে, অনেক যুবক মাদকাসক্ত হয়ে অকালে প্রাণ হারিয়েছেন। আপ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে বলে দাবি করছে। পুলিশের তথ্য অনুসারে, গত দুই বছরে বেশ কয়েকটি বড় চালান আটক করা হয়েছে এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
কেজরিওয়ালের অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানি ড্রোন রুট বন্ধ হওয়ায় মাদক চোরাচালানকারীরা নতুন পথ বেছে নিয়েছে। গুজরাট হয়ে রাজস্থান ও হরিয়ানার মাধ্যমে পাঞ্জাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে এত মাদক আসছে অথচ কেন্দ্রীয় সরকার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না কেন? কেজরিওয়াল বলেন, “এটা শুধু মাদকের ব্যবসা নয়, পাঞ্জাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে ষড়যন্ত্র।”
বিজেপি এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করেছে। পাঞ্জাব বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বলছেন, আপ সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে অন্যদের দোষারোপ করছে। তাঁরা দাবি করেন, পাঞ্জাবে মাদকের মূল সমস্যা স্থানীয় সিন্ডিকেট ও রাজনৈতিক মদতের কারণে। এক বিজেপি নেতা বলেন, “কেজরিওয়াল সরকার দুই বছর ধরে ক্ষমতায় আছে, অথচ মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ।



