স্পোর্টস কমপ্লেক্স নিয়ে আশার কথা শোনালেন নিশীথ প্রামাণিক

নিউ কোচবিহার রেল স্টেশনের (Nisith Pramanik) কাছে রেলের জমিতে বহু প্রতীক্ষিত সাই ন্যাশনাল সেন্টার অফ এক্সিলেন্স তৈরির কাজ খুব শিগগিরই শুরু হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
nisith-pramanik-west-bengal-sports-talent-districts

নিউ কোচবিহার রেল স্টেশনের (Nisith Pramanik) কাছে রেলের জমিতে বহু প্রতীক্ষিত সাই ন্যাশনাল সেন্টার অফ এক্সিলেন্স তৈরির কাজ খুব শিগগিরই শুরু হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা এই প্রকল্প নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে। রাজ্যের নবনিযুক্ত ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানিয়েছেন, প্রকল্পটি দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রকে চিঠি পাঠানো হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এই প্রকল্পটি কোচবিহারের ক্রীড়া (Nisith Pramanik) পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রায় ২০০ কোটি টাকার এই স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা বহু বছর আগে নেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে কাজ থমকে যায়। নিউ কোচবিহার স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের জমিতে এই কেন্দ্র গড়ে ওঠার কথা থাকলেও জমি সংক্রান্ত জটিলতা, অনুমোদন এবং পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি।

   

সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই প্রকল্প ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরে চাপানউতোর চলছিল। তৃণমূল, সিপিএম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনও করেছে। তাদের অভিযোগ ছিল, গুরুত্বপূর্ণ এই ক্রীড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রশাসনিক গাফিলতির কারণে উত্তরবঙ্গের ক্রীড়া পরিকাঠামো পিছিয়ে পড়ছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, রাজ্যের অসহযোগিতার কারণেই প্রকল্পটি এগোতে পারেনি।

নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। নিশীথ প্রামাণিক জানিয়েছেন, এই প্রকল্প বহু আগেই সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা ও পূর্ববর্তী সরকারের অসহযোগিতার কারণে কাজ থমকে যায়। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত চিঠি পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে, যাতে প্রকল্পের কাজ পুনরায় শুরু করা যায়।

এছাড়াও প্রকল্প এলাকায় থাকা উচ্চ (Nisith Pramanik) ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ তার (হাই ভোল্টেজ লাইন) সরানো নিয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠানো হচ্ছে। কারণ ওই বিদ্যুৎ লাইন সরানো না গেলে নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন প্রকৌশলীরা।

প্রশাসনিক (Nisith Pramanik) মহলের মতে, এই ধরনের জটিল অবকাঠামো প্রকল্পে একাধিক দপ্তরের সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রেল, বিদ্যুৎ ও ক্রীড়া দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় না হলে কাজ এগোনো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এবার সমস্ত পক্ষকে একত্রিত করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে এই ঘোষণায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। তাঁদের মতে, কোচবিহারের মতো জেলায় একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠলে স্থানীয় খেলোয়াড়দের বড় সুবিধা হবে। বিশেষ করে ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স এবং অন্যান্য ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের জন্য এই কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google