কলকাতা: ছত্তিশগড়ে মৃত্যু হয়ে পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিনকে নিয়ে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা (NIA probe)। রাস্তা অবরোধ থেকে শুরু করে ট্রেন লাইনে বোল্ডার ফেলে দিয়ে পরিবহন বন্ধের মত অপরাধমূলক কাজও হয়েছিল এই অশান্তি ঘিরে। সংবাদ মাধ্যম খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়। কিন্তু এই অশান্তির বারুদে দেশলাই জালাল কে তার তদন্ত করতেই NIA দাবি করেছিল বিজেপি এবং সেই মর্মে মামলাও হয়েছিল।
তবে রাজ্যসরকারের তরফ থেকে NIA তদন্ত না করার জন্য পিটিশন জমা করা হয়েছিল সুপ্রিমকোর্টে। ভারতের শীর্ষ আদালত সেই পিটিশন খারিজ করে দিয়েছিল এবং তাতে স্টে অর্ডার দিয়েছিল। পাশাপাশি সরকার হাইকোর্টেও পিটিশন দিয়েছিল এবং তৃণমূল সরকারকে বড় ধাক্কা দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টও সেই পিটিশন খারিজ করে দিয়েছে। হাইকোর্টের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আরও দেখুনঃ ১৯০ নিহত! ধ্বংস হওয়া পাক পোস্ট থেকে মিলল বিপুল নগদ
ঘটনার সূত্রপাত গত জানুয়ারি মাসে। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় এক বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের ঝাড়খণ্ডে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা ছড়ায়। এরপর দু’দিন ধরে চলে বেলাগাম হিংসা, অগ্নিসংযোগ, সম্পত্তি ধ্বংস এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা। বেলডাঙ্গা থানায় একটি এফআইআর দায়ের হয়। শুভেন্দু অধিকারীসহ অন্যান্যরা পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন (পিআইএল) দাখিল করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং এনআইএ তদন্তের দাবি জানান।
২০ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থ সারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদনে রায় দেন। আদালত রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী (সিএপিএফ) মোতায়েন করতে এবং এনআইএ তদন্তের বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্ত নিতে ছাড় দেন। এরপর ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এনআইএ-কে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। এনআইএ মামলাটিকে ইউএপিএ (আনল ফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেনশন অ্যাক্ট) এর অধীনে ‘সন্ত্রাসবাদী কাজ’ হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করে।
তারা দাবি করে, এই হিংসা অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে। এনআইএ টিম বেলডাঙ্গায় গিয়ে তদন্ত করে, কয়েকজনকে গ্রেফতার করে এবং রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে কেস ডায়েরি চায়। কিন্তু রাজ্য পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ ওঠে। এনআইএ হাইকোর্টে আবেদন করে কেস ডায়েরি ও আসামিদের হাজির করার নির্দেশ চায়।
এরপর ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এনআইএ-কে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। এনআইএ মামলাটিকে ইউএপিএ (আনল ফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেনশন অ্যাক্ট) এর অধীনে ‘সন্ত্রাসবাদী কাজ’ হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করে। তারা দাবি করে, এই হিংসা অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে। এনআইএ টিম বেলদাঙ্গায় গিয়ে তদন্ত করে, কয়েকজনকে গ্রেফতার করে এবং রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে কেস ডায়েরি চায়। কিন্তু রাজ্য পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ ওঠে। এনআইএ হাইকোর্টে আবেদন করে কেস ডায়েরি ও আসামিদের হাজির করার নির্দেশ চায়।




















