কলকাতা: আগামী ১ জুন থেকে রাজ্যে চালু হতে চলেছে অন্নপূর্ণা যোজনা, যেখানে মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। কিন্তু এই সুবিশাল ফর্ম পূরণ করার পরেও যে সবাই টাকা পাবেন না, তা মন্ত্রীর মন্তব্যেই স্পষ্ট৷ আগে বলা হয়েছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের গ্রাহকরা সরাসরি এই টাকা পাবেন, তবে এখন কেন এই ইউ-টার্ন?
সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে অগ্নিমিত্রা পল বলেন, “তখন তো আমরা জানতাম না যে এত পুরুষের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকত !” তিনি স্পষ্ট জানান, ফর্ম জমা দেওয়ার পর প্রতিটি তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখে তবেই অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে। (agnimitra paul says not all will get annapurna after form fill up)
১২ পাতার ফর্মে লুকিয়ে আগামীর ব্লু-প্রিন্ট
মন্ত্রী আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে জানান, এই সুবিশাল ফর্মটি শুধুমাত্র অন্নপূর্ণা যোজনার জন্যই তৈরি করা হয়নি। আগামী দিনে রাজ্যে যে সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি চালু হতে চলেছে, তার জন্য একটি অভিন্ন ‘তথ্যভাণ্ডার’ বা ডেটাবেস তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য। এই ফর্মের মাধ্যমেই সমস্ত তথ্য আগেভাগে সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে।
বাদ যাচ্ছে ৩০ লক্ষ নাম?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দাবি অনুযায়ী, পূর্বতন সরকারের আমলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের তালিকায় অন্তত ৩০ লক্ষ ভুয়ো নাম রয়েছে, যার মধ্যে বহু পুরুষও রয়েছেন। তাই প্রকৃত ও যোগ্য মহিলাদের বেছে নিতেই এই স্ক্রুটিনি। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ও নারীকল্যাণ মন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেতে গেলে আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। উপভোক্তারা এই যোগ্যতা পূরণ করছেন কি না, তা যাচাই করতেই এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।




















