সোনারপুরে ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেখানে পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। চোর স্লোগান দিয়ে ডিম এবং জুতো ছোড়া হয় তার দিকে। এমনকি শারীরিক হেনস্থার অভিযোগও সামনে এসেছে। জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয় তার।
৪ঠা মে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মতো সোনারপুরেও রাজনৈতিক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিজেপির (BJP) আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সঞ্জু কর্মকারের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায় এবং ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সোনারপুর দক্ষিণে সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে যান।
তিনি নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান এবং দলের পক্ষ থেকে সব ধরণের আইনি ও আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে সোনারপুরে ঢুকতেই বেকায়দায় পড়েন অভিষেক। এলাকার মানুষ প্রথমে ডিম জুতো নিয়ে হামলা করেন বলে জানা গিয়েছে। এলাকার ক্ষুব্ধ মানুষ এরপর অভিষেককে মারধর করেছে বলেও জানা গিয়েছে। ধস্তাধস্তিতে তার জামা ছিঁড়ে গিয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয় বা সফরকালীন উপস্থিতিতে হামলার ঘটনাও ঘটে, যেটিকে তিনি “বিজেপি স্পনসরড” হামলা বলে দাবি করেছেন। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ভোট পরবর্তী এই হিংসা ও মৃত্যুর ঘটনার পরেও স্থানীয় পুলিশ উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ এই খুনের ঘটনার তদন্ত করছে এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।




















