মুম্বই: ১২ বছর আগে মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু তাঁকে নিয়োগ করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত। মাসে মাসে বেতনও দিয়েছে। সই করে নাকি তিনি সেই বেতনও নিয়েছেন। এমনই চাঞ্চল্যকর দুর্নীতি সামনে এসেছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে (Maharashtra)। তথ্য জানার অধিকার আইনে আরজি জানানোয় বড় সড় জালিয়াতির পর্দা ফাঁস।
এই ঘটনা মহারাষ্ট্রের। ভারতের অর্থনৈতিক রাজধানী মুম্বই এই রাজ্যেরও রাজধানী। তবে এই দুর্নীতির ঘটনা শহরের নয়। নিয়োগে কারচুপি হয়েছে গ্রামে। চন্দ্রপুরা জেলার গন্দিপিরি গ্রাম পঞ্চায়েতে। পশুপাখিদের খাওয়ানোর জন্য কর্মী নিয়োগ করে গ্রাম পঞ্চায়েত। সেই নিয়োগের নামেই জালিয়াতি হয়েছে বলে অভিযোগ।
তথ্য জানার অধিকার আইনে জানা গিয়েছে যে বিলাস চানেকার নামের একজনকে নিয়োগ করে গ্রাম পঞ্চায়েত। তাঁকে মাসে মাসে সাত হাজার ২০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। সই করে তিনি সেই টাকা নিয়েছেন। পঞ্চায়েতের নথিতে বিলাস নামের একজনের সই রয়েছে। তবে কোনও টিপ সই নেই। নথি অনুযায়ী সেই পঞ্চায়েত কর্মী বিলাস স্থানীয় ধাবা গ্রামের বাসিন্দা।
সেই ঠিকানায় গিয়ে উঠে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ধাবা গ্রামে বিলাস চানেকার নামের ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে ২০১৩ সালে। অথচ তাঁর নামেই টাকা তোলা হয়েছে পঞ্চায়েত থেকে। সেই বিলাস চানেকারের ছেলে নিতিন দাবি করেছেন যে তাঁদের পরিবারের কাছে কোনও টাকা আসেনি।
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই নড়চড়ে বসেছে গ্রাম পঞ্চায়েত। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা নয়ছয় হয়েছে। স্থানীয়রা উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করছেন।




















