হিজাবে সম্মতি পাগড়ি তিলকে না! লেন্সকার্ট স্টোরে তিলক পরালেন মুসলিম বিজেপি নেত্রী

সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করে লেন্সকার্ট সংস্থা জানিয়েছিল সংস্থার কর্মীরা পাগড়ি বা তিলকের মত জিনিস ধারণ করতে পারবেন না। (Lenskart hijab)কিন্তু মুসলিম মহিলারা হিজাব পরতে পারেন। এই আবহেই ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
lenskart-hijab-tilak-controversy-nazia-elahi-khan-bjp

সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করে লেন্সকার্ট সংস্থা জানিয়েছিল সংস্থার কর্মীরা পাগড়ি বা তিলকের মত জিনিস ধারণ করতে পারবেন না। (Lenskart hijab)কিন্তু মুসলিম মহিলারা হিজাব পরতে পারেন। এই আবহেই খোদ বিজেপির এক মুসলিম নেত্রী পৌঁছে গেলেন এই সংস্থার একটি স্টোরে। বিজেপির মাইনরিটি মোর্চার নেত্রী নাজিয়া এলাহি খান সেখানে গিয়ে স্টাফদের সঙ্গে উত্তপ্ত বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।

অভিযোগ উঠেছে, সংস্থার গ্রুমিং পলিসিতে হিজাবের অনুমতি থাকলেও পাগড়ি, তিলক, বিন্দি বা কলাবা-র মতো হিন্দু ধর্মীয় প্রতীক নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এই ‘বৈষম্যমূলক’ নিয়মের প্রতিবাদেই নাজিয়া স্টোরে হাজির হয়েছিলেন।ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, নাজিয়া খান স্টোরের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং হিন্দু স্টাফদের কপালে তিলক পরিয়ে দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানও দিয়েছেন।

   

আরও দেখুনঃ India-Russia: আমেরিকার পাকিস্তান ঘনিষ্ঠতার মাঝেই ভারত-রাশিয়া চুক্তি কার্যকর

তিনি স্টাফদের জিজ্ঞাসা করেন, “হিজাব পরতে দেওয়া হয় কিন্তু তিলক বা কলাবা পরতে দেওয়া হয় না কেন? এটা কোন ধরনের নিয়ম?” ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে এটিকে ‘ধর্মীয় সমতার’ পক্ষে একটি সাহসী পদক্ষেপ বলে অভিনন্দন জানান। কেউ কেউ আবার বলছেন এতে রাজনৈতিক গন্ধ রয়েছে।লেন্সকার্টের পুরনো একটি ট্রেনিং ডকুমেন্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। সেখানে স্পষ্টভাবে লেখা ছিল ‘বিন্দি/স্টিকার বা রিলিজিয়াস তিলক/টিকা অনুমোদিত নয়’।

অন্যদিকে কালো হিজাব এবং টারবান (পাগড়ি) পরার অনুমতি ছিল। এই পার্থক্য দেখে অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। দেশজুড়ে হিন্দু সংগঠনের কর্মীরা লেন্সকার্টের বিভিন্ন স্টোরে গিয়ে স্টাফদের তিলক পরিয়ে দিতে শুরু করেন। কেউ কেউ বলেন, “যদি হিজাব চলে তাহলে তিলক-কলাবাও চলবে।”নাজিয়া এলাহি খান এই ঘটনায় সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বলেন, “আমি যা করতে পারি, যে কেউ তা করতে পারে। এখানে কোনও বৈষম্য হতে দেওয়া যায় না।”

লেন্সকার্টের প্রতিষ্ঠাতা পীযুষ বনসল এই বিতর্কের পর দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, “ভাইরাল হওয়া ডকুমেন্টটি পুরনো এবং বর্তমান নীতির প্রতিফলন নয়। আমাদের কোম্পানিতে কোনো ধর্মীয় প্রকাশের উপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। বিন্দি, তিলক, সিন্দুর, কলাবা, মঙ্গলসূত্র, হিজাব, টারবান সবকিছুই স্বাগত।” কোম্পানি নতুন করে ইন-স্টোর স্টাইল গাইড জারি করে স্পষ্ট করে দেয় যে, সব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চিহ্ন অনুমোদিত।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google