Nabanna: নিয়মে বড় পরিবর্তন! সরকারি কর্মীদের হাজিরা দেওয়ার পদ্বতিতে বড় বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার (Mobile Attendance System)। এই বদলের ফলে দরকার পড়বে না কোনও বায়োমেট্রিক হার্ডওয়্যার মেসিন। দফতরে আলাদা করে বসাতে হবেনা এই মেশিন। বরং, কর্মীরা অফিস চত্বরের মধ্যে নিজেদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নিজেদের হাজিরা বা অ্যাটেনডেন্স দিতে পারবেন। এই উদ্যোগে বাঁচবে সরকারের বিরাট খরচ, সঙ্গে আরও সহজ হবে হাজিরা প্রক্রিয়া।
এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে অর্থ দফতর এই আধুনিক ব্যবস্থাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কার্যকর করতে বলেছে। বিজ্ঞপ্তিতে, বিভিন্ন দফতরের নিজস্ব সফটওয়্যার সলিউশনগুলি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন দফতরে বায়োমেট্রিক মেশিন বসানোর কাজ শুরু হয়, তবে অনেক ক্ষেত্রেই তা রক্ষণাবেক্ষণের অভাব বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঠিকমতো কাজ করত না। এছাড়া, এই নতুন মোবাইল-ভিত্তিক জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তির ফলে দফতরের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে থেকেই কর্মীরা অ্যাপের মাধ্যমে হাজিরা নথিভুক্ত করতে পারবেন। এর ফলে, অফিসে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে। অর্থ দফতর মনে করছে এই পুরো প্রক্রিয়াটা স্বচ্ছ থাকবে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে সমস্ত দফতরে এই নির্দেশিকা পাঠানোর প্রক্রিয়া।
সম্প্রতি, সরকারি কর্মীদের হাজিরা নিয়ে বেশ কড়াকড়ি করেছিল নবান্ন। নবান্নে বাধ্যতামূলক ‘ফেস রিকগনিশন’ বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা করা হয়েছিল ১৫ জুন থেকে। নির্দেশ দেওয়া হয়, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতরে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে। দফতর প্রধান ছাড়া সকল কর্মচারিকে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময়, মুখ সনাক্ত যন্ত্রে উপস্থিতি নথিভুক্ত করতে হবে। উল্লেখ্য, সকাল ১০ টা বেজে ১৫ থেকে ১১টার মধ্যে উপস্থিত হলে তা ‘লেট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। সকাল ১১টার পর তা ‘অনুপস্থিত’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এবং, বিকেল ৫টা বেজে ১৫ মিনিটের আগে অফিস থেকে বেরোলে তা ‘আর্লি ডিপার্চার’ বলে ধরা হবে।





