বড় স্বস্তি রাজ্য সরকারের! উচ্চ-প্রাথমিক মামলা খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

Upper Primary: শুক্রবার বড় স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার। উচ্চ-প্রাথমিক মামলা খারিজ করে দিল সুপ্রিল কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ খারিজ করেন এই মামলা। ফলে উচ্চ-প্রাথমিকে নিয়োগপত্র ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
Supreme Court ruling on Governor bill approval

Upper Primary: শুক্রবার বড় স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার। উচ্চ-প্রাথমিক মামলা খারিজ করে দিল সুপ্রিল কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ খারিজ করেন এই মামলা। ফলে উচ্চ-প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দিতে কোনও বাধা রইল না আর।

বেশ অনেক দিন ধরেই ছিল ১৪,০০০ এর বেশি শূনপদে নিয়োগ নিয়ে জটিলতা। কলকারা হাইকোর্টের দেওয়া রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় শীর্ষ আদালতে। তবে এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ তা খারিজ করে দেয়। অর্থাৎ, মামলা খারিজ করার ফলে এবার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই করা হবে নিয়োগ। নিয়ম মেনে শুরু হবে ১৪ হাজার শূন্যপদে কাউন্সেলিং। শুক্রবার শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে নিয়োগে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবেনা।

   

উচ্চ প্রাথমিকে নতুন করে মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে। গত ২৮ শে অগস্ট এই রায় দেয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। এবং তার ভিত্তিতেই স্কুল সার্ভিস কমিশন কাউন্সেলিং করে চাকরিতে নিয়োগ করবে। এই রায়ের জন্য প্রায় ৮ বছর পরে ১৪,০৫২ পদে নিয়োগ শুরু করেছিল এসএসসি। কিন্তু ফের জটিলতার সৃষ্টি হয় সুপ্রিম কোর্টে মামলা হওয়ায়।

উল্লেখ্য, ২০২৫ থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে। ২০২০ সালে হাইকোর্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে দেয়। কিন্তু বাতিল করলেও প্যানেল প্রকাশ করার অনুমতি দেওয়া হয় ২০২৩ সালে। তারপর ফের মামলা যায় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এরপর জটে আটকে যায় এই মামলা। তবে এবার প্রায় ৯ বছর পর চাকরির আশা দেখছেন প্রার্থীরা।

গত ২৮ শে অগস্ট, কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যেই ১৪,০৫২ জন প্রার্থীর নিয়োগে চাকরি সুনিশ্চিত করতে হবে। এবার সেই নির্দেশ বহাল থাকবে। কমিশন জানায় শূন্যপদের সংখ্যা ১৪,৩৩৯।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google