সোনা ও পাপ্পুর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় জমা দেওয়া চার্জশিট ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জমি দখল, আর্থিক অনিয়ম এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠে এসেছে। চার্জশিটে প্রায় ৩৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিয়ে আপত্তি জানানো হতে পারে।
তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে বেআইনি দখলদারি এবং আর্থিক লেনদেন চালানোর অভিযোগ রয়েছে সোনা-পাপ্পুর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বিভিন্ন সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রভাব খাটিয়ে দখল নেওয়া, মালিকানা নিয়ে জটিলতা তৈরি করা এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার মতো একাধিক অনিয়মের সঙ্গে তারা যুক্ত ছিল।
চার্জশিটে প্রাক্তন ডিসি শান্তনুর নামও উঠে এসেছে বলে সূত্রের দাবি। তদন্তকারীদের অভিযোগ, শান্তনুর প্রভাব বা মদতেই নাকি এই ধরনের কার্যকলাপ চালানো সম্ভব হয়েছিল। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফলই শেষ কথা বলবে।
তদন্তকারীদের দাবি, শুধুমাত্র জমি দখল নয়, এর সঙ্গে যুক্ত ছিল বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন। প্রায় ৩৭ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, কীভাবে লেনদেন হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তা জানতে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
চার্জশিটে বেশ কিছু নথি, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং সাক্ষীদের বয়ানের উল্লেখ রয়েছে বলে তদন্তকারী মহলের দাবি। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করার প্রক্রিয়া এগোচ্ছে।





