স্পেশাল রোল অবজ়ার্ভারের রিপোর্টের পরেই পুনর্নির্বাচনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

৭৭টি EVM অভিযোগের প্রেক্ষিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে পর্যবেক্ষক ও জেলা রিপোর্ট খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন, প্রমাণ মিললেই পুনর্নির্বাচন

Election Commission Delegation in Kolkata Today, Administrative Meetings in Final Stage

ডায়মন্ড হারবারের নির্বাচনী পরিস্থিতি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে স্পেশাল রোল অবজ়ার্ভার সুব্রত গুপ্তের পদক্ষেপে। জানা গিয়েছে, তিনি সরাসরি ডায়মন্ড হারবার উইমেন্স কলেজের স্ট্রংরুমে যাচ্ছেন, যেখানে সংরক্ষিত রয়েছে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ইভিএমগুলি। (Election Commission) এই পরিদর্শন ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, ইভিএম নিয়ে ওঠা একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখার পরেই নির্বাচন কমিশন পুনর্নির্বাচন হবে কি না, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর থেকেই(Election Commission) ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে অভিযোগ উঠতে শুরু করে। বিশেষ করে ইভিএমের কার্যকারিতা এবং সেগুলির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিরোধী দলগুলির দাবি, কিছু ক্ষেত্রে ইভিএম সঠিকভাবে কাজ করেনি অথবা ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। যদিও নির্বাচন কমিশন প্রথম থেকেই এই অভিযোগগুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে।

   

এই পরিস্থিতিতে স্পেশাল রোল অবজ়ার্ভার সুব্রত গুপ্তের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কমিশনের নির্দেশে তিনি সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছচ্ছেন। স্ট্রংরুমে গিয়ে তিনি ইভিএমগুলির সুরক্ষা ব্যবস্থা, সিলমোহর, এবং সংরক্ষণের পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করবেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অভিযোগও তিনি শুনবেন এবং সেই অনুযায়ী রিপোর্ট তৈরি করবেন।

নির্বাচন কমিশনের(Election Commission) সূত্রে খবর, এই স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত পুনর্নির্বাচন নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। অর্থাৎ, সুব্রত গুপ্তের রিপোর্টই এখানে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। তিনি যে রিপোর্ট জমা দেবেন, তার উপর নির্ভর করেই কমিশন ঠিক করবে আদৌ পুনর্ভোটের প্রয়োজন রয়েছে কি না।

প্রশাসনিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই পদক্ষেপ নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটের পর যদি কোনও ধরনের অভিযোগ ওঠে, তা দ্রুত এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। সেই দিক থেকে দেখলে, একজন স্পেশাল অবজ়ার্ভারকে পাঠিয়ে সরাসরি স্ট্রংরুম পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত কমিশনের সক্রিয়তারই প্রমাণ