গতবারের পর এবার ও দুরন্ত ছন্দে রয়েছে এফসি গোয়া। সেবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব না হলেও পরবর্তীতে সেই ধাক্কা ভুলে এগিয়ে যেতে একেবারেই সমস্যা হয়নি মানোলো মার্কেজের ছেলেদের। জামশেদপুরের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে সর্বভারতীয় কাপ টুর্নামেন্ট তথা সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল গোয়া ব্রিগেড। যারফলে এএফসির মঞ্চে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ এসেছিল এই দলের কাছে। তবে এসিএল টায়ার টুয়ে খুব একটা নজর করা সম্ভব না হলেও তাঁদের দাপুটে লড়াই যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছে। আগামী মরসুমে ও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্য প্রত্যেকের।
সেইমতো সুপার কাপ ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ ছিল ফুটবলারদের। প্রথম থেকেই এবারের এই টুর্নামেন্টে দাপিয়ে ফুটবল খেলে গোয়া। তবে ট্রফি জয়ের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল কলকাতা ময়দানের অন্যতম প্রধান তথা ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব। তবে নিজেদের ঘরের মাঠে ফাইনাল খেলা নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় যেকোনও দলের। গোলশূন্য ফলাফলের নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময় গড়িয়েছিল খেলা। টাইব্রেকারে ও ম্যাচের নিষ্পত্তি ঘটেনি। শেষ পর্যন্ত সাডেন ডেথে বাজিমাত করে গোয়া।
পর পর দুইবার এই সর্বভারতীয় খেতাব ঘরে তুলেছে গোয়া। এবার আসন্ন আইএসএল ট্রফি ঘরে তোলার চ্যালেঞ্জ। কাজটা যে সহজ নয় সেটা বলাই চলে। তার ওপর ইতিমধ্যেই দল ছেড়েছেন একাধিক হাইপ্রোফাইল বিদেশি ফুটবলার। এমন পরিস্থিতিতে সুইস মডেলে আয়োজিত দেশের প্রথম ডিভিশন লিগে লড়াই করা যে অনেকটাই চ্যালেঞ্জিং সেটা সকলের জানে। শোনা যাচ্ছিল যে আইএসএলের কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু ফুটবলারদের দলে টানবে এফসি গোয়া। সেক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে উঠে এসেছিল ভারতীয় ফুটবলার ঈশান পন্ডিতার (Ishan Pandita) নাম।
সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ কিছুক্ষণ আগে নিজেদের সোশ্যাল সাইট থেকে তাঁর যোগদান নিশ্চিত করে দিয়েছে এফসি গোয়া। একটা সময় এই দলের হয়ে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন পন্ডিতা। বেশকিছু সিজন পর ফিরে এসেছেন নিজের পুরনো ক্লাবে। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ গোয়াকে আমার সবসময় বাড়ির মতোই মনে হয়েছে। এখান থেকে চলে যাওয়ার পর থেকেই আমি সবসময় ফাতোর্দায় আমাদের সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য ফিরতে চেয়েছি। এখন অবশেষে আমি সেই সুযোগ পাচ্ছি। আমি শুরু করার জন্য অপেক্ষায় আছি।’




















