লখনউ: এবার বিপাকে সরকারি কর্মীরা। জানুয়ারী মাসের বেতন আটকে দিয়ে বড় পদক্ষেপ নিল যোগী সরকার (Uttar Pradesh)। সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে প্রায় ৬৮ হাজার সরকারি কর্মীর বেতন আটকে দিয়েছে উত্তর প্রদেশ সরকার। কিন্তু কি কারণে এতো বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। কারণ রাজ্যসরকারি কর্মীরা কেউ মানব সম্পদ পোর্টালে নিজেদের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি আপলোড করেননি।
সরকারের তরফে জানান হয়েছিল যে প্রত্যেক রাজ্য সরকারি কর্মীদের নিজেদের সম্পত্তির বিস্তারিত তথ্য পোর্টালে আপলোড করতে হবে। সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারকে এই পদক্ষেপকে জিরো টলারেন্স বলে উল্লেখ করেছে রাজনৈতিক মহল। তারা বলেছে যে সরকারি কর্মীরা অনেক সময়ই অন্যায্য ভাবে মানুষের কাছ থেকে টাকা নেন যা সম্পূর্ণ বেআইনি। ঘুষ নেওয়া এবং যেকোনও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতেই যোগী সরকারের এই পদক্ষেপ বলে মনে করেছেন তারা।
বড়সড় বিপত্তি! মাধ্যমিক প্রশ্নপত্র বোঝাই গাড়ি দুর্ঘটনাগ্রস্ত
এই মানব সম্পদ পোর্টালটি তৈরী করা হয়েছে এই দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্য নিয়ে। যেখানে বছরে একবার সরকারি কর্মীদের নিজেদের স্ত্রী সন্তানদের নামে স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তা পোর্টালটিতে আপলোড করতে হয়। এবারের ডেডলাইন ছিল ৩১ জানুয়ারি। তার আগে একাধিকবার রিমাইন্ডার দেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন দফতর থেকে মেইল, এসএমএস, নোটিশ সবকিছু করা সত্ত্বেও ৬৮,২৩৬ জন কর্মচারী নিয়ম মানেননি।
এঁদের মধ্যে গ্রুপ এ, বি, সি, ডি সব স্তরের মানুষ রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে পাবলিক ওয়ার্কস, রেভিনিউ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ দফতর থেকে। এমনকি পুলিশ বিভাগেও অনেকে এখনও তথ্য জমা দেননি, যা নিয়ে আলাদা করে সতর্ক করা হয়েছে।সরকারি আধিকারিকরা বলছেন, এটা কোনও নতুন নিয়ম নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ মেনেই উত্তরপ্রদেশে এই পোর্টাল চালু হয়েছে।
কিন্তু অনেক কর্মচারী এখনও এটাকে গুরুত্ব দেন না। কেউ ভুলে যান, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যান। ফলে সরকার এবার আর ছাড় দিতে রাজি নয়। জানুয়ারির বেতন আটকে দেওয়ার পর অনেকেই এখন তড়িঘড়ি পোর্টালে লগইন করে তথ্য আপলোড করছেন। যাঁরা এখনও করেননি, তাঁদের জন্য সরকারের বার্তা স্পষ্ট যতক্ষণ না পুরোপুরি সম্পত্তির বিবরণ জমা পড়ছে, বেতনের কোনও আশা নেই।




















