ফের অ্যাকশন যোগী রাজ্যে! পুলিশের গুলিতে ৭২ হুর পেল সাধু হত্যাকারী ইজরায়েল

উন্নাও: ফের যোগী রাজ্যে অ্যাকশন মোডে পুলিশ। (Mohammad Israel)উত্তরপ্রদেশের উন্নাও জেলায় একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দ্রুত প্রতিশোধ নিল প্রশাসন। যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির…

unnao-police-encounter-mohammad-israel

উন্নাও: ফের যোগী রাজ্যে অ্যাকশন মোডে পুলিশ। (Mohammad Israel)উত্তরপ্রদেশের উন্নাও জেলায় একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দ্রুত প্রতিশোধ নিল প্রশাসন। যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আরেকটি উদাহরণ দেখা গেল। সন্ত বাবা মিলনদাস হত্যার মূল অভিযুক্ত দাগি অপরাধী মোহাম্মদ ইজরায়েলকে উন্নাওয়ে পুলিশের এনকাউন্টারে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

এই ঘটনায় পুলিশের এক কনস্টেবল ও আহত হয়েছেন।৯ জুন উন্নাওর বাঙ্গরমউ এলাকার ঘুরে টোলায় নির্মাণাধীন এক রাম মন্দিরের মধ্যে দিনদুপুরে বর্বরোচিতভাবে খুন করা হয়েছিল ৬০ বছরের সাধু বাবা মিলনদাসকে। বাবা মিলনদাস ওই মন্দিরের দেখভাল করতেন এবং সেখানে ভজন-কীর্তন চালাতেন। অভিযোগ উঠেছিল, মসজিদের কাছে লাউডস্পিকারে ভজন বাজানো নিয়ে বিরোধের জেরে ইজরায়েলসহ তার সঙ্গীরা তাঁকে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।

   

আরও দেখুনঃ https://kolkata24x7.in/top-stories/deepti-sharma-five-wicket-haul-world-record-vs-pakistan/

ঘটনার পর পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ করেন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি তোলেন।পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। মামলায় ইজরায়েল, লল্লি, ইয়ামিন, শানু ও শফির নাম উঠে আসে। তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু মূল অভিযুক্ত ইজরায়েল পালিয়ে যায়। তার মাথায় দাম এক লক্ষ টাকা ঘোষণা করা হয়। পুলিশ ও এসওজি টিম মিলে তাকে ধরতে অভিযান চালায়।

শেষ পর্যন্ত রবিবার রাত থেকে সোমবার ভোরে তাজপুর আন্ডারপাসের কাছে তাকে ঘিরে ফেলা হয়। পুলিশ তাকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালে ইজরায়েল প্রথমে গুলি চালায়। জবাবে পুলিশও গুলি চালাতে বাধ্য হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশের এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।এই ঘটনায় সরব হয়েছে রাজনৈতিক মহল। তাদের মতে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বারবার বলেছেন, অপরাধীদের জন্য উত্তরপ্রদেশে কোনো নিরাপদ আশ্রয় নেই।

যারা নিরীহ মানুষের জীবন নেয়, তাদেরও জীবনের ঝুঁকি নিতে হবে। সাধু হত্যার মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে প্রশাসন দেখিয়েছে যে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।স্থানীয় বাসিন্দারা এই এনকাউন্টারকে স্বস্তির নিশ্বাস হিসেবে দেখছেন। অনেকেই বলছেন, “বাবা মিলনদাসের মতো একজন নিরীহ সেবককে যারা হত্যা করেছে, তাদের এই পরিণতি হওয়া উচিত।” ঘটনার পর মন্দির এলাকায় শান্তি ফিরেছে। পরিবারের সদস্যরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে মনে করছেন। পুলিশ জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদেরও ধরতে অভিযান চলছে।