নয়াদিল্লি: মহিলা সংরক্ষণের আড়ালে আসলে লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাসের ‘ভয়ংকর’ ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করছে কেন্দ্র! আর এর ফলে জাতীয় রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি কোণঠাসা হবে পশ্চিমবঙ্গ বা তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলি, যারা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল। ১৬ এপ্রিল থেকে শুরু হতে চলা সংসদের বিশেষ অধিবেশনের ঠিক আগে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নিবন্ধে সোনিয়া দাবি করেছেন, মোদী সরকারের এই পদক্ষেপ আসলে সংবিধানের ওপর সরাসরি আঘাত। তাঁর মতে, নারী শক্তি বন্দন আইন আগেই পাশ হয়ে গেছে, তাই মহিলা সংরক্ষণ এখন আর মূল ইস্যু নয়। আসল ইস্যু হলো ডিলিমিটেশন। লোকসভার আসন ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে একলাফে ৮১৬ করার যে জল্পনা চলছে, তার কড়া সমালোচনা করেন তিনি। সোনিয়ার আশঙ্কা, ডিলিমিটেশন হলে গাণিতিক হিসেবে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলির আসন অনেক বেড়ে যাবে। ফলে যে রাজ্যগুলি এতদিন ধরে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ভালো কাজ করেছে, তারা লোকসভায় নিজেদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব হারাবে।
বাংলা ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী আবহে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই কেন্দ্র এই তড়িঘড়ি করছে বলে দাবি তাঁর। শুধু তাই নয়, ডিলিমিটেশনের আড়ালে মোদী সরকার আসলে জাতিভিত্তিক জনগণনাকে আরও পিছিয়ে দিতে চাইছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিরোধী দলগুলির সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা ছাড়াই এমন গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের চেষ্টাকে ‘অগণতান্ত্রিক’ তকমা দিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন খাড়্গে এবং রাহুল গান্ধী।




















