লখনউ: সামনের বছরেই বিধানসভা নির্বাচন যোগী রাজ্যে। (AIMIM)তার আগেই উত্তর প্রদেশের মানুষকে মিম সমর্থনের আহ্বান জানালেন আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি তৃণমূলের বিদ্রোহীদের কটাক্ষ করে বলেন যারা এতদিন তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে মানুষের ভোটে জিতেছে, এখন তারাই মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে বিজেপির অনুগ্রহ চাইছে।
ওয়াইসি উত্তরপ্রদেশের জনগণের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেছেন, এআইএমআইএম-কে সমর্থন করুন। আমরা সম্মান বিক্রি করব না, আপনাদের ভালোবাসা বিক্রি করব না তার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো।ওয়াইসি বলেন, “প্রত্যেকেই মাথা নিচু করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। আমি উত্তরপ্রদেশের মানুষের কাছে আবেদন করছি এআইএমআইএম-কে সমর্থন করুন।
আমরা সম্মান ও আপনাদের স্নেহ বিক্রি করে দেব না। তার চেয়ে মৃত্যু ভালো।” তিনি অখিলেশ যাদবকে সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “আখিলেশ যাদব, বলুন তো মমতা ব্যানার্জির ২০ জন সাংসদ যখন চলে গেলেন, তাঁরা কেন গেলেন? কেউ তো এ নিয়ে কথা বলছে না।” ওয়াইসি সমাজবাদী পার্টির নেতাদেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “আপনারা যাদের ভোট দিয়েছেন, সেই সমাজবাদী পার্টির নেতারা এলাকার উন্নয়নে কী করেছেন? কিছুই করেননি।”
তাঁর মতে, ভোটের রাজনীতিতে মুসলিম ভোটব্যাঙ্ককে ব্যবহার করা হলেও বাস্তবে তাদের উন্নয়ন বা কল্যাণে কোনো কাজ হয়নি। বাহরাইচের মতো এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান কোনো ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনা থেকে তৃণমূলের ২০ জন বিধায়ক এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার খবরে বাংলার রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
ওয়েইসি এই ঘটনাকে তুলে ধরে বলেছেন, এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও সাংগঠনিক সংকটের প্রমাণ। তিনি দাবি করেন, যেসব নেতা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁরা নিজেদের স্বার্থকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন। ওয়েইসির এই বক্তব্য উত্তরপ্রদেশের আসন্ন নির্বাচনী প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।




