গুজরাট: গুজরাট পুলিশ একটি চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলায় মুম্বইয়ের (Abdul Ghaffar)বিখ্যাত আঞ্জুমান তাকদিরুন্নিসা আল ইসলামিয়া লিল বানাত মাদ্রাসার ট্রাস্টি মুফতি আলাউদ্দিন আব্দুল গফফর আনসারিকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, তিনি ভারুচের এক ২২ বছর বয়সী তরুণীকে শিক্ষার খরচ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বারবার ধর্ষণ করেছেন এবং জোর করে দু’বার গর্ভপাত করিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মুফতিকে (Abdul Ghaffar)গ্রেফতার করার পর আদালতে তোলা হয় এবং তাঁকে পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগী তরুণী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে, মাদ্রাসায় পড়াশোনার সুযোগ ও আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতিতে তাঁকে বারবার নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি জানান, আসামি তাঁকে মাদ্রাসায় ডেকে নিয়ে যেতেন এবং সেখানে শারীরিক নির্যাতন চালাতেন।
আরও দেখুনঃ দিল্লি দাঙ্গায় IB অফিসার অংকিত খুনে অভিযুক্ত আপ কাউন্সিলার তাহিরকে যাবজ্জীবন দিল আদালত
গর্ভবতী হলে জোর করে গর্ভপাত করানো হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।এই ঘটনা সমাজে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মহিলা অধিকার কর্মীরা বলছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত একজন ব্যক্তির এমন কাজ অত্যন্ত নিন্দনীয়।
গুজরাট পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, প্রতারণা ও অন্যান্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।আসামি আলাউদ্দিন আনসারি মুম্বাইয়ের ওই মাদ্রাসার ট্রাস্টি হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষও বিব্রত।
আরও দেখুনঃ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যকলাপে লাগাম ভারতের: প্রত্যর্পণ নিয়ে কী জানাল কেন্দ্র?
মাদ্রাসার অন্যান্য ট্রাস্টিরা বলেছেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন। তাঁরা পুলিশকে (Abdul Ghaffar)পূর্ণ সহযোগিতা করবেন।ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার জানিয়েছে, মেয়েটি শিক্ষার স্বপ্ন দেখে মাদ্রাসায় যোগ দিয়েছিল। কিন্তু সেখানে তাঁর সঙ্গে যা হয়েছে, তা পরিবারকে চরম মানসিক আঘাত দিয়েছে। পরিবারের সদস্যরা বলেন, “আমরা ন্যায়বিচার চাই।
এমন লোকদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত যাতে আর কোনো মেয়ের জীবন নষ্ট না হয়।”গুজরাট পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে যে, অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কাজ করে আসছিলেন কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যান্য সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের খোঁজ করা হচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, মামলাটি খুবই সংবেদনশীল। তাই সতর্কতার সঙ্গে তদন্ত চালানো হচ্ছে





