নয়াদিল্লি: এলপিজি (LPG) গ্রাহকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার সারেন্ডার করলে অর্থাৎ কানেকশন ছেড়ে দিলে গ্রাহকরা তাঁদের জমা দেওয়া সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা ফেরত পাবেন। নতুন কানেকশন নেওয়ার সময় সরকার সিলিন্ডার ও রেগুলেটর বাবদ যে টাকা জমা নেয়, অনেকেই তাকে সাধারণ ফি বলে মনে করেন। কিন্তু কানেকশন ছেড়ে দেওয়ার সময় নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করলে সেই টাকা সম্পূর্ণ ফেরত পাওয়া সম্ভব। (LPG Cylinder Security Deposit Refund)
কখন এবং কেন কানেকশন ছাড়বেন?
কর্মসূত্রে বা অন্য কোনও কারণে এক শহর থেকে অন্য শহরে স্থানান্তরিত হলে অনেকেই পুরনো গ্যাস কানেকশনটি ব্যবহার করেন না। কিন্তু অজ্ঞতাবশত তাঁরা সেই কানেকশন সারেন্ডারও করেন না। এর ফলে গ্রাহকের সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলির কাছেই পড়ে থাকে। অথচ সামান্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলেই এই টাকা সহজেই ফেরত পাওয়া যায়।
কত টাকা ফেরত পাওয়া যায়?
সাধারণ গৃহস্থালির ১৪.২ কেজির এলপিজি কানেকশন নেওয়ার সময় সাধারণত ২২০০ টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট জমা দিতে হয় (উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে ২০০০ টাকা)। কানেকশন ছাড়লে এই পুরো টাকাই ফেরত পাওয়া যায়।
ছোট বা ৫ কেজির সিলিন্ডার ফেরত দিলে, সিলিন্ডার পিছু ৫০০ টাকা করে রিফান্ড পাওয়া যায়। রেগুলেটরের জন্য জমা দেওয়া ১৫০ থেকে ২৫০ টাকাও ফেরত পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
কী কী নথি প্রয়োজন?
টাকা রিফান্ড পাওয়ার জন্য গ্রাহকের কাছে নিম্নলিখিত জিনিসগুলি থাকা বাধ্যতামূলক-
- সাবস্ক্রিপশন ভাউচার (SV): কানেকশন নেওয়ার সময় দেওয়া মূল কাগজ।
- ডোমেস্টিক গ্যাস কনজিউমার কার্ড (DGCC): গ্যাস বুকিংয়ের নীল রঙের ছোট ডায়েরি।
- যন্ত্রপাতি: সংস্থার দেওয়া গ্যাস সিলিন্ডার এবং প্রেসার রেগুলেটর।
- ব্যাঙ্কের তথ্য: টাকা রিফান্ডের জন্য একটি ক্যানসেলড চেক (Cancelled Check) বা ব্যাঙ্ক পাসবুকের কপি।
টাকা ফেরত পাওয়ার পদ্ধতি
১. প্রথমে আপনার বর্তমান এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর বা গ্যাস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
২. এরপর সাবস্ক্রিপশন ভাউচার-সহ আপনার কাছে থাকা সিলিন্ডার এবং রেগুলেটর এজেন্সিতে জমা দিন।
৩. এজেন্সি সমস্ত কাগজপত্র ও যন্ত্রপাতি যাচাই করে আপনাকে একটি ‘টার্মিনেশন ভাউচার’ (TV) ইস্যু করবে।
৪. এই ভাউচার ইস্যু হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই জমা দেওয়া সিকিউরিটি ডিপোজিটের পুরো টাকা সরাসরি আপনার দেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে।



