রাঁচি: ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলমহলে আবারও দিয়েছে আশার আলো দেখা। (Maoist Surrender)মঙ্গলবার
রাঁচিতে পুলিশের সামনে আত্মসমর্পণ করেছেন ১৬ জন মাওবাদী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সন্তোষ ওরফে বাসুদেব দা ওরফে দিলীপ যাঁর মাথায় ছিল ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার। ঝাড়খণ্ড পুলিশ সদর দফতরের তথ্য অনুসারে, এই ১৬ জনের মধ্যে ছয়জনের মাথায় মোট ৩৯ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা ছিল।
VIDEO | Ranchi, Jharkhand: As many as 16 Maoists, including Santosh alias Basudev Da alias Dilip, who was carrying a bounty of Rs 15 lakh on his head, surrendered before police.
Of the 16 Maoists, six carry a total bounty of Rs 39 lakh. They include a regional committee member,… pic.twitter.com/euFK8DUBTK
— Press Trust of India (@PTI_News) July 28, 2026
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন একজন রিজিওনাল কমিটি সদস্য, একজন জোনাল কমিটি সদস্য, দুজন সাব-জোনাল কমিটি সদস্য এবং দুজন এরিয়া কমিটি সদস্য। এই দলে বেশ কয়েকজন নারী সদস্যও রয়েছেন।এই আত্মসমর্পণকে ঝাড়খণ্ড পুলিশের কাছে বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে চলা অভিযানের ফলে অনেকেই এখন অস্ত্র ত্যাগ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইছেন।
আরও দেখুনঃ তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে থাকা অপরাধীদের ছাড় নেই! সাফ জানাল সুপ্রিমকোর্ট
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আত্মসমর্পণকারীরা বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় ছিলেন। সন্তোষ ওরফে দিলীপ দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী নেটওয়ার্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন। তাঁর আত্মসমর্পণ পুরো গ্রুপের মনোবল ভেঙে দিতে পারে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলাম।
সরকারের পুনর্বাসন নীতি, নিরাপত্তার আশ্বাস এবং স্বাভাবিক জীবনের আকাঙ্ক্ষা এসব কারণে তাঁরা অস্ত্র ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” আত্মসমর্পণের পর তাঁদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্বাসন, চাকরি ও অন্যান্য সুবিধার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলমহল এলাকায় মাওবাদী সমস্যা দীর্ঘদিনের।
আরও দেখুনঃ খুন, যৌন হেনস্থা থেকে অস্ত্র আইন: দিল্লির প্রতিবাদে এআই নজরে ২৯০০ দাগী আসামি
গ্রামের সাধারণ মানুষ দুই পক্ষের চাপে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেক পরিবারের ছেলেমেয়েরা অন্ধকার জীবনে ঢুকে পড়ে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। পুলিশের অভিযান, উন্নয়নমূলক কাজ এবং সচেতনতা কর্মসূচির ফলে অনেকে বুঝতে পারছেন যে, অস্ত্রের পথ আর সমাধান নয়। আত্মসমর্পণকারী এক নারী সদস্য বলেন, “আমরা বুঝতে পেরেছি যে, এই পথে কোনো ভবিষ্যৎ নেই। পরিবারের কাছে ফিরতে চাই।”





