শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে সক্ষম মিসাইল-ট্র্যাকিং অ্যান্টেনা খুঁজছে বায়ুসেনা

ভারতীয় বিমান বাহিনীর (IAF) এমন অ্যান্টেনার প্রয়োজন যা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে সক্ষম—আর এই চাহিদাটি বর্তমানে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে (GPS Enabled Antennas)। উপসাগরীয়…

Su-30MKI

ভারতীয় বিমান বাহিনীর (IAF) এমন অ্যান্টেনার প্রয়োজন যা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে সক্ষম—আর এই চাহিদাটি বর্তমানে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে (GPS Enabled Antennas)। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউক্রেনে চলমান সংঘাতের ফলে সৃষ্ট সরবরাহ শৃঙ্খলের ব্যাঘাতই এই সমস্যার মূল কারণ। এছাড়া, চলমান সংঘাতের কারণে ইজরায়েল তাদের নিয়মিত মেরামত ও সরঞ্জাম সরবরাহের সেবা প্রদান করতে পারছে না। এমতাবস্থায়, ভারতীয় বিমান বাহিনী এখন দেশীয় কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে কেবল যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশই নয়, বরং শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান ও গতিপথ শনাক্তকারী অ্যান্টেনা তৈরির উদ্যোগও নিচ্ছে।

বিমান যন্ত্রাংশের সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় বিমানবাহিনী বিমান-সংক্রান্ত বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, জরুরি খুচরো যন্ত্রাংশ এবং ক্ষেপণাস্ত্র-ট্র্যাকিং অ্যান্টেনার ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে। উপসাগরীয় যুদ্ধ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে এই ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় বিমানবাহিনী এ বিষয়ে একটি নথি প্রকাশ করেছে।

Advertisements

ভারতীয় বিমানবাহিনী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ চিহ্নিত করেছে যা তারা দেশীয় কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে তৈরি করাতে চায়। সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত একটি বড় উদ্যোগের অংশ হলো এই পদক্ষেপ।

ভারতকে পরিষেবা দিতে অক্ষম ইজরায়েল
বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় বিমানবাহিনী দেশীয় শিল্পের জন্য একটি নথিপত্র প্রকাশ করেছে। ওই নথিপত্র অনুযায়ী, “বৈঠকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিরক্ষা খাতের প্রধান নির্মাতারা উপস্থিত ছিলেন; সেখানে বিমানবাহিনী স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশগুলোর বিষয়ে রূপরেখা তুলে ধরে।”

নথিপত্র অনুযায়ী, অন্যতম বড় একটি চ্যালেঞ্জ হলো গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (GPS)-যুক্ত অ্যান্টেনা তৈরি করা, যা সারফেস-টু-এয়ার বা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান ও দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। এর কারণ হলো, ইজরায়েল এগুলোর ‘মেরামত বা সংগ্রহের সেবা’ প্রদানে অক্ষম।