বাজারে ছড়িয়ে যাচ্ছে নকল ‘সেনসোডাইন’! রাজধানীতে গ্রেফতার ১

নয়াদিল্লি: রাজধানী দিল্লিতে ফের চাঞ্চল্য। বাজারে বিকোচ্ছে নকল সেনসোডাইন টুথপেস্ট। (Sensodyne toothpaste)রাজধানীর খানজাওয়ালা এলাকায় একটি বড়সড় নকল সেনসোডাইন টুথপেস্ট তৈরির কারখানা বাজেয়াপ্ত করেছে দিল্লি পুলিশের…

fake-sensodyne-toothpaste-delhi-kanjhawala-factory-busted

নয়াদিল্লি: রাজধানী দিল্লিতে ফের চাঞ্চল্য। বাজারে বিকোচ্ছে নকল সেনসোডাইন টুথপেস্ট। (Sensodyne toothpaste)রাজধানীর খানজাওয়ালা এলাকায় একটি বড়সড় নকল সেনসোডাইন টুথপেস্ট তৈরির কারখানা বাজেয়াপ্ত করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে ৫৮ বছর বয়সী হরি ওম মিশ্র নামে এক ব্যক্তি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত রোহিণীর সেক্টর-২-এর বাসিন্দা এবং তিনি ভাড়া করা গোডাউনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নকল পেস্ট তৈরি করে বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন।

গত ২ এপ্রিল রাতে ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইআর-১ টিম গোপন সূত্রের ভিত্তিতে খানজাওয়ালার সি-ব্লক, মহাবীর বিহারের একটি গোডাউনে অভিযান চালায়। সেখানে পুলিশ দেখতে পায়, একটি অপরিষ্কার ঘরে ফিলিং ও সিলিং মেশিন চলছে। হাজার হাজার খালি সেনসোডাইন টিউব, কার্টন, প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়াল, প্রায় ১৮০০ ভর্তি টিউব, ১০ হাজারেরও বেশি খালি টিউব এবং ১৩০ কেজির মতো সন্দেহজনক কাঁচা পেস্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়া মূল্যবান মেশিনারিও উদ্ধার হয়েছে, যার মোট মূল্য লাখ লাখ টাকা বলে অনুমান করা হচ্ছে।

   

আরও দেখুনঃ কেশপুরে তৃণমূলের সঙ্গে সংঘর্ষে বিজেপির তিন কর্মী আহত, উত্তেজনা চরমে

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হরি ওম মিশ্র স্বীকার করেছেন যে, তিনি ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে এই অবৈধ কারবার চালিয়ে আসছিলেন। তিনি স্থানীয়ভাবে তৈরি সস্তা পেস্ট দিয়ে খালি সেনসোডাইন টিউবে ভর্তি করতেন এবং সেগুলোকে আসল পণ্যের মতো প্যাকেজিং করে স্থানীয় দোকান ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করতেন। কোনো লাইসেন্স, বিল বা অনুমোদন ছাড়াই এই কাজ চলছিল। অভিযুক্ত জানিয়েছেন, তিনি গোডাউনটি ভাড়া নিয়ে শ্রমিকদের দিয়ে এই কাজ করাতেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ছয়জন শ্রমিককেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, এই নকল টুথপেস্টগুলো কোন কোন দোকানে সরবরাহ করা হয়েছে, কারা এর সঙ্গে যুক্ত সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আরও তদন্ত চলছে যাতে পুরো সাপ্লাই চেইন উন্মোচিত হয়।এ ঘটনায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর প্রাসঙ্গিক ধারা এবং কপিরাইট অ্যাক্টের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে অন্যদেরও গ্রেফতার করা হবে।