ধর্মেন্দ্রর ইস্তফাতেও মিলল না স্বস্তি! ফের রণক্ষেত্র যন্তরমন্তর

নয়াদিল্লি: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরেও উত্তেজনা থামল না।(Dharmendra) রাজধানীর যন্তরমন্তর এলাকা আবারও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টি কর্মী ও সমর্থকদের একটি বড় অংশ…

dharmendra-resignation-jantar-mantar-clash-cjp-protesters

নয়াদিল্লি: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরেও উত্তেজনা থামল না।(Dharmendra) রাজধানীর যন্তরমন্তর এলাকা আবারও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টি কর্মী ও সমর্থকদের একটি বড় অংশ বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে পাথর ছুড়তে থাকেন। এতে একাধিক পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করতে হয়।ঘটনাটি ঘটেছে ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার কিছু সময় পরেই। অনেকে আশা করেছিলেন, তাঁর পদত্যাগের পর উত্তেজনা কমবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল উল্টো ছবি। যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। প্রথমদিকে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

Advertisements

আরও দেখুনঃ BREAKING: আরশোলাদের আন্দোলনে নতমস্তক! ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

সিজেপির কিছু স্বেচ্ছাসেবক বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁরা মাইক্রোফোনে অনুরোধ করেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করছি, কেউ উসকানিতে পা দেবেন না।” কিন্তু কিছু উত্তেজিত যুবক তাঁদের কথা না শুনে পুলিশের দিকে পাথর ছুড়তে শুরু করেন।প্রায় ৩০ মিনিট ধরে এই পাথর ছোড়াছুড়ি চলে। পুলিশকর্মীরা ঢাল-হেলমেট নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কয়েকজনের মাথায়, হাতে-পায়ে আঘাত লাগে।

আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাওয়ায় পুলিশ প্রথমে ওয়াটার ক্যানন ছোড়ে, তারপর লাঠিচার্জ করে এবং অবশেষে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ধোঁয়ায় চারদিক ঢেকে যায়। বিক্ষোভকারীরা ছুটোছুটি করে রাস্তা ছেড়ে চলে যান।স্থানীয় বাসিন্দা ও দোকানদাররা এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

এই ঘটনা দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিরোধী দলগুলো পুলিশের লাঠিচার্জের সমালোচনা করেছে। তাঁরা বলছেন, “সরকার বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিচ্ছে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে।” শাসক দলের নেতারা অবশ্য বলছেন, “কোনো প্রতিবাদের নামে সহিংসতা করলে পুলিশ অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।

আরও দেখুনঃ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রক্তপাতের পরিকল্পনা! অসম এসটিএফের হাতে গ্রেফতার আকরামুল-আবুল হোসেন

আইন সবার জন্য সমান।”যন্তরমন্তর এলাকায় এখনও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ট্রাফিক চলাচল স্বাভাবিক করতে সময় লেগেছে। আহত পুলিশকর্মীদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। পুলিশ এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে এবং দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।