ফের মোদী-ট্রাম্প জুটিতে ভর করে শত্রুকে সর্ষেফুল দেখাবে ভারতের নৌবাহিনী

নয়াদিল্লি: ক্রমশ আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে ভারতীয় নৌবাহিনী। (P-8I Poseidon deal)সম্প্রতি মোদী সরকার আমেরিকার কাছ থেকে আরও ছয়টি অত্যাধুনিক P-8I পোসেইডন মেরিটাইম সার্ভেইল্যান্স এয়ারক্রাফট কেনার জন্য প্রায় ৩.৫ ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
india-p8i-poseidon-deal-navy-us-defense-upgrade

নয়াদিল্লি: ক্রমশ আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে ভারতীয় নৌবাহিনী। (P-8I Poseidon deal)সম্প্রতি মোদী সরকার আমেরিকার কাছ থেকে আরও ছয়টি অত্যাধুনিক P-8I পোসেইডন মেরিটাইম সার্ভেইল্যান্স এয়ারক্রাফট কেনার জন্য প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় চুক্তি এগিয়ে নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় নৌবাহিনীর বর্তমান ১২টি P-8I বিমানের বহর ১৮টিতে পৌঁছে যাবে। এটি শুধু সংখ্যা বাড়ানো নয়, বরং দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

P-8I বিমানগুলোকে অনেকেই ‘সমুদ্রের চোখ’ বলে থাকেন। এগুলো বোয়িং কোম্পানির তৈরি, যা মূলত আমেরিকান নৌবাহিনীর P-8A পোসেইডনের ভারতীয় সংস্করণ। এই বিমানগুলো দূরপাল্লার মেরিটাইম রেকনেসাঁস ও অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ারে (ASW) অসাধারণ দক্ষ। উন্নত রাডার, সোনার বয়, ইলেকট্রনিক সাপোর্ট মেজার্স এবং অস্ত্র বহনের ক্ষমতা দিয়ে এগুলো শত্রুপক্ষের সাবমেরিন, জাহাজ এবং বিমানকে অনেক দূর থেকে শনাক্ত করতে পারে।

   

আরও দেখুনঃ নারী ইস্যুকে সামনে রেখে রাজনীতি করছে কেন্দ্র, জুন মালিয়া

একসঙ্গে এগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা সমুদ্রের ওপর উড়ে নজরদারি চালাতে সক্ষম, যা ভারতের মতো বিশাল উপকূলীয় দেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি।ভারতীয় নৌবাহিনী এর আগে ২০০৯ সালে আটটি এবং ২০১৬ সালে আরও চারটি P-8I বিমান কিনেছিল। সেই সময়ের তুলনায় এখন খরচ অনেক বেড়েছে। প্রথম আটটির পুরো চুক্তি ছিল প্রায় ২.১ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু সাপ্লাই চেইনের সমস্যা, মুদ্রাস্ফীতি এবং অন্যান্য কারণে প্রতিটি নতুন বিমানের দাম এখন প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ফলে ছয়টির জন্য মোট খরচ ৩.৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হতে পারে। অনেকে বলছেন, এই দাম বেশি হলেও ভারত কৌশলগত প্রয়োজনের কথা ভেবে এগিয়ে যাচ্ছে।কেন এই চুক্তি এতটা গুরুত্বপূর্ণ? ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চিনা সাবমেরিন এবং যুদ্ধজাহাজগুলো নিয়মিতভাবে এই অঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে P-8I-এর মতো বিমান ভারতকে সমুদ্রপথে নজরদারি বাড়াতে সাহায্য করবে। এগুলো শুধু শনাক্তই করবে না, প্রয়োজনে টর্পেডো, মিসাইল এবং ডেপ্থ চার্জ দিয়ে আক্রমণও চালাতে পারবে। ফলে ভারতীয় নৌবাহিনীর অপারেশনাল ক্ষমতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের কৌশলগত অংশীদারিত্বও এই চুক্তির মাধ্যমে আরও মজবুত হবে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google