Srabanti Chatterjee: আইনি জালে শ্রাবন্তী, হতে পারে ৭ বছরের কারাবাস!

আইনি ঝামেলায় জড়ালেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় (Srabanti Chatterjee)। নিজের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জেরেই বিপাকে শ্রাবন্তী। বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন ১৯৭২-এর ৯,১১, ৩৯, ৪৮, ৪৯, ৪৯এ- ধারায় তাঁর অধীনে ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Updated:

Follow Us
Srabanti Chatterjee

আইনি ঝামেলায় জড়ালেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় (Srabanti Chatterjee)। নিজের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জেরেই বিপাকে শ্রাবন্তী। বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন ১৯৭২-এর ৯,১১, ৩৯, ৪৮, ৪৯, ৪৯এ- ধারায় তাঁর অধীনে মামলা দায়ের হয়েছে। বন্যপ্রাণকে জোর করে আটক করে রাখার অভিযোগ রয়েছে নায়িকার বিরুদ্ধে। যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন তবে হতে পারে সাত বছরের কারাবাস।

গত ১৫ জানুয়ারি একটি বেজির সঙ্গে ছবি পোস্ট করেছিলেন অভিনেত্রী। প্রাণীর গলায় লাগানো ছিল একটি বকলস। যা একটি মোটা চেনের সঙ্গে বাঁধা ছিল। শুটিংয়ের ফাঁকেই সম্ভবত ছবিটি তোলা হয়েছিল। ক্যাপশনে শ্রাবন্তী লিখেছিলেন, “আচমকা ছোট্ট বন্ধুটির সঙ্গে দেখা হল”। হ্যাশট্যাগ- অ্যানিম্যাল লাভ”। বেজিশাবকটিকে এভাবে গলায় শিকল পরিয়ে ছবি পোস্ট করায় তীব্র প্রতিবাদ ওঠে নেটিজেনদের তরফেও। কেউ কেউ ঘটনাটিকে ‘অমানবিক’ আখ্যাও দেন। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। তাঁকে ডেকে পাঠানো হয় ওয়াইল্ড লাইফ কন্ট্রোল সেলের কলকাতা শাখায়।

   

Srabanti Chatterjee

এই বিষয়ে, সংবাদমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বনদপ্তরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, “বন্যপ্রাণীকে এভাবে বন্দি করে রাখা শুধু যে অপরাধ তা নয়, শ্রাবন্তীর মতো একজন তারকা যদি এমন কাজ করেন তা দেখে অনেকে প্রভাবিত হতে পারেন। অভিনেত্রীর উচিত বনদপ্তরের সঙ্গে সহযোগিতা করা এবং বনপ্রাণ সংরক্ষণের এই লড়াইয়ে আমাদের সাহায্য করা।”

যদিও নায়িকা এবিষয় এখনও মুখ খোলেননি। তবে তাঁর আইনজীবী এসকে হাবিব উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী সুরক্ষার আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google