নয়াদিল্লি: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে (Delhi University)লাভ জিহাদের ফাঁদ পাততে গিয়ে বেকায়দায় বাংলাদেশি যুবক। রাজধানীর নামকরা এই বিদ্যায়তনে হিন্দু ছাত্রীদের টার্গেট করে ধর্মীয় ছদ্মবেশে মিথ্যা পরামর্শ দিয়ে তাদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু সাহসী ছাত্রীরা তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলে জুতো ও চপ্পল দিয়ে পেটান এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ঘটনাটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে দেশজুড়ে আলোচনার ঝড় তুলেছে।
A Bangladeshi jihadi was giving false advice to Hindu girls at Delhi University to trap them in love jihad.
Then the girl students showed courage and caught the jihadi red-handed and beat him with shoes and slippers.
Then they handed him over to the police. pic.twitter.com/biR13RKjRb— Hindu spirit (@Hinduspirit0) April 28, 2026
ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। সূত্র অনুসারে, ওই বাংলাদেশি যুবক বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু ছাত্রীদের কাছে ঘুরঘুর করতেন। তিনি নিজেকে একজন ‘পরামর্শদাতা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ছাত্রীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার চেষ্টা করতেন। কথাবার্তার ফাঁকে তিনি হিন্দু ধর্মের সমালোচনা করে ইসলামকে ‘শ্রেষ্ঠ’ বলে প্রচার করতেন এবং ধীরে ধীরে ছাত্রীদের মনে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করতেন।
আরও দেখুনঃ ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মাঠে অজয় পাল শর্মা, এলাকায় টহল জোরদার
এটি ছিল লাভ জিহাদের একটি সুপরিকল্পিত কৌশল বলে অভিযোগ উঠেছে।একদিন কয়েকজন হিন্দু ছাত্রী তাঁর কথাবার্তায় সন্দেহের গন্ধ পান। তাঁরা লক্ষ্য করেন যে, যুবকটি বারবার তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এবং ধর্মান্তরের দিকে প্রলোভিত করার চেষ্টা করছেন। ছাত্রীরা চুপ করে না থেকে সাহসের সঙ্গে একত্রিত হন। তাঁরা যুবকটিকে ঘিরে ধরেন এবং তাঁর মোবাইল ও কথোপকথনের প্রমাণ সংগ্রহ করেন। যখন যুবকটি ধরা পড়ে যান, তখন ক্ষুব্ধ ছাত্রীরা তাঁকে জুতো ও চপ্পল দিয়ে বেধড়ক পেটাতে শুরু করেন।
শেষ পর্যন্ত ওই যুবককে ক্যাম্পাস থেকে বের করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দিল্লি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যুবকটি বাংলাদেশের নাগরিক বলে স্বীকার করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো, ছাত্রীদের হয়রানি এবং সম্ভাব্য লাভ জিহাদের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁর মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করে তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
এই ঘটনা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। অনেকে ছাত্রীদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে লিখেছেন, “মেয়েরা আর চুপ করে থাকবে না। নিজেদের সম্মান রক্ষায় তারা সোচ্চার হয়েছে।” কেউ কেউ বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে বিদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশ এবং তাদের মাধ্যমে ধর্মীয় ফাঁদ পাতার ঘটনা বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, কেরলসহ বিভিন্ন রাজ্যে লাভ জিহাদের অভিযোগ বারবার উঠছে।




















