Home Kolkata City মালার ডাকে ভিজিটর্স রুমেই তৃণমূল কাউন্সিলরদের বৈঠক, গরহাজির ৫০

মালার ডাকে ভিজিটর্স রুমেই তৃণমূল কাউন্সিলরদের বৈঠক, গরহাজির ৫০

I can also give 5–7 punchy alternative English versions if you want headlines with more flair or urgency. Do you want me to do that?
I can also give 5–7 punchy alternative English versions if you want headlines with more flair or urgency. Do you want me to do that?

গেরুয়া ঝড়ের আবহে চূড়ান্ত (Kolkata Municipal Corporation) নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হল কলকাতা পুরসভায়। মঙ্গলবার নজিরবিহীন এক ঘটনায় মাসিক অধিবেশন বাতিল ঘোষণা করেন পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই শুরু হয় রাজনৈতিক উত্তেজনা, প্রশ্ন ওঠে প্রশাসনিক ক্ষমতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে।

- Advertisement -

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, (Kolkata Municipal Corporation) নির্ধারিত মাসিক অধিবেশন শুরুর কিছুক্ষণ আগেই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয় যে অধিবেশন বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের আগেই কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় দলের কাউন্সিলরদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বার্তা পাঠান, যেখানে তিনি শাসকদলের সমস্ত কাউন্সিলরকে দুপুর দেড়টার মধ্যে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন। ফলে একদিকে প্রশাসনিকভাবে অধিবেশন বাতিলের ঘোষণা,(Kolkata Municipal Corporation) অন্যদিকে রাজনৈতিক স্তরে বাধ্যতামূলক উপস্থিতির নির্দেশ এই দ্বৈত পরিস্থিতি তৈরি হয় পুরসভা চত্বরে।

   

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন দেখা যায়, অধিবেশন কক্ষ তালাবন্ধ রয়েছে। কাউন্সিলররা এসে অধিবেশন কক্ষ খোলা না থাকায় হতচকিত হয়ে পড়েন। এর মধ্যেই দলীয় সিদ্ধান্তে স্থির হয় যে, আনুষ্ঠানিক অধিবেশন না হলেও ভেতরের ভিজিটর্স রুমেই দলীয় কাউন্সিলরদের বৈঠক করা হবে। সেই মতো ভিজিটর্স রুমেই বসে তৃণমূল কাউন্সিলরদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তবে এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে পুর প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে। একদিকে কমিশনারের পক্ষ থেকে অধিবেশন বাতিল, অন্যদিকে চেয়ারপার্সনের পক্ষ থেকে উপস্থিতির নির্দেশ—এই দুই ভিন্ন অবস্থান প্রশাসনিক বিভ্রান্তি তৈরি করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

এই পরিস্থিতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “অধিবেশন বাতিলের পর যদি কলকাতায় কোনও বিপর্যয় ঘটে, তার দায় কে নেবে? অধিবেশন ইচ্ছামতো বাতিল করা যায় না। অধিবেশন বাতিল করার একমাত্র ক্ষমতা চেয়ারপার্সনের, সচিব বা কমিশনারের নয়। যেভাবে অধিবেশন বাতিল করা হয়েছে, তা গণতন্ত্রের অপমান।” তাঁর আরও বক্তব্য, “অধিবেশন না হলে পুর পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে কীভাবে? গণতন্ত্রের উপরে কেউ নয়, তাই গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে।”

অন্যদিকে চেয়ারপার্সন মালা রায়ের নির্দেশ ঘিরেও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। দলের ভিতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও কাউন্সিলরদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে অনেকে মনে করছেন। তবে আনুষ্ঠানিক অধিবেশন না থাকা সত্ত্বেও ভিজিটর্স রুমে বৈঠক করাকে বিরোধীরা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি।

Follow on Google