এই মুহুর্তে তিনি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। রাজ্য সভাপতির পরে দায়িত্ব বেড়েছে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। কিন্তু দিলীপ ঘোষ রয়েছেন দিলীপ ঘোষেতেই৷ তাই তাঁকে নিয়ে বিজেপির অন্দরে অসন্তোষের আবহ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। কারণ, দিলীপ ঘোষের বাচনভঙ্গি। গেরুয়া শিবিরের বিধায়ক হয়ে সমালোচনা করছেন কেন্দ্রিয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির৷ তাও একবার নয়। বারবার একই বক্তব্য পেশ করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।
সোমবার দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের রিপোর্ট চেয়ে পাঠালেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এ থেকে স্পষ্ট মেদিনীপুরের সাংসদের বক্তব্যে শুধুমাত্র রাজ্য নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব পড়েছে। এমনকি বাংলা ও হিন্দি ভাষায় অনুবাদ চেয়ে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রের নেতারা৷ এরই মধ্যে সোমবার ঘটে গেল আরও একটি ঘটনা। হেস্টিংসে দফতরে দিলীপ ঘোষ উপস্থিত থাকলেও দেখা গেল না বিজেপির বৈঠকে।

বঙ্গ বিজেপিতে ফাটলের বিষয় অনেকদিন আগে থেকেই লক্ষ্য করা হয়েছিল৷ সংগঠনে পুরাতনদের প্রাধান্য না দেওয়ার জন্য এই দিলীপ ঘোষ সরব হয়েছিলেন। তারপর তাঁকে সেন্সর করেছিল দল৷ এবার কী বড় পদক্ষেপ? কারণ বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ‘অপব্যবহার’ এর বারবার অভিযোগ তোলা হলেও বারবার দলের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কেন্দ্রের নেতারা৷ এখন দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে দল ভীষণ অস্বস্তিতে৷ এমনকি এটা সরকারের জন্য বিড়ম্বনার কারণ৷ আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷




















