সৌজন্যহীন ভবানীপুর! এই বুথে মুখোমুখি মমতা-শুভেন্দু, কী করলেন দু’জনে?

কলকাতা: ভবানীপুরের ভোট-যুদ্ধে টানটান উত্তেজনা। বুধবার সকালে চক্রবেড়িয়ার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথে তৈরি হলো এক নজিরবিহীন দৃশ্য। বুথের ভেতরে আগে থেকেই হাজির ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ...

By Moumita Biswas

Published:

Updated:

Follow Us
Nandigram Bhabanipur Election Results

কলকাতা: ভবানীপুরের ভোট-যুদ্ধে টানটান উত্তেজনা। বুধবার সকালে চক্রবেড়িয়ার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথে তৈরি হলো এক নজিরবিহীন দৃশ্য। বুথের ভেতরে আগে থেকেই হাজির ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক সেই সময়ই সেখানে পৌঁছে যায় বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়। দুই যুযুধান পক্ষ একই আঙিনায় থাকলেও, সৌজন্য বিনিময়ের ধারেকাছে গেলেন না কেউই। বরং একে অপরকে আক্রমণ শানিয়ে পরিস্থিতি আরও তপ্ত করে তুললেন।

বিজেপির কটাক্ষ

বুথ থেকে বেরিয়েই আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতার বুথে বসে থাকাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “একটা ভোটও কেউ ওঁকে দিচ্ছেন না। পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই হতাশা চরমে পৌঁছেছে, তাই বুথে বসে রয়েছেন।” শুভেন্দুর দাবি, ভবানীপুরের মানুষ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিচ্ছেন।

   

মমতার পাল্টা তোপ Bhabanipur election tension

অন্যদিকে, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপি ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। তাঁর অভিযোগ, মঙ্গলবার রাত থেকে তাঁর কর্মীদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে। মমতা বলেন, “আমি সারারাত জাগছি। ভবানীপুরেও এখন ‘টেররিজম’ (সন্ত্রাস) চালানো হচ্ছে।” ভাঙড়ের অশান্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে একহাত নেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তিনি। বিজেপিকে নিশানা করে তাঁর প্রশ্ন, “এসব করে কি ভোট পাওয়া যায়? ওরা জোর করে ভোটে জিততে চাইছে।”

উত্তপ্ত ভবানীপুর

হাই-ভোল্টেজ এই কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে বুথ চত্বরে সমর্থকদের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি বড়সড় কোনো সংঘর্ষের দিকে না গেলেও, মমতা-শুভেন্দুর এই মুখোমুখি অবস্থান এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বুঝিয়ে দিচ্ছে ভবানীপুরের লড়াই এবার এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ কোনও পক্ষই।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।

Follow on Google