ঢাকা বিমানবন্দরে রহস্যময় ঘটনা! মালয়েশিয়াগামী ৭০ জনের বেশি যাত্রী উধাও

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের মালয়েশিয়া(Dhaka)সফরের কয়েকদিনের মাথায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘটে গিয়েছে এক অদ্ভুত ও রহস্যময় ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে মালয়েশিয়াগামী বিমানের জন্য…

dhaka-airport-missing-passengers

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের মালয়েশিয়া(Dhaka)সফরের কয়েকদিনের মাথায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘটে গিয়েছে এক অদ্ভুত ও রহস্যময় ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে মালয়েশিয়াগামী বিমানের জন্য বোর্ডিং পাস ও ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স পাওয়া সত্ত্বেও ৭০ জনের বেশি যাত্রী হঠাৎ উধাও হয়ে যান। কর্তৃপক্ষের ধারণা, এরা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন এবং খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই পালিয়ে যান।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটটি কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে। ফ্লাইটটিতে ২৪৫ জন যাত্রী নেওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৬৯ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি ছেড়ে যায়। বাকি ৭৬ জন যাত্রী বোর্ডিং পাস ও ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরও বিমানে ওঠেননি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর পাসপোর্ট ও ভিসার মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ার পর বিষয়টি নজরে আসে।

   

আরও দেখুনঃ বাংলাদেশে বাজেয়াপ্ত বিপুল চিনা বেআইনি অস্ত্র! নজরে উত্তর পূর্ব ভারতের জঙ্গি যোগ

খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাকিরা সটকে পড়েন।সূত্রগুলো জানিয়েছে, এসব যাত্রী সবাই “টুরিস্ট ভিসা” নিয়ে যাচ্ছিলেন। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে ই-ভিসা যাচাইয়ের সুবিধা থাকা সত্ত্বেও শনিবার রাতে যথাযথ স্ক্রুটিনি ছাড়াই তাদের ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়। এই অনিয়ম কতটা পুরনো বা ব্যাপক, তা এখনও জানা যায়নি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এখন পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

তারা জাল দলিলপত্রের সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।এই ঘটনা দেশের বিমানবন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আরও দেখুনঃ বাংলাদেশে ঐতিহ্যবাহী ধামরাইয়ের রথ যাত্রার বিরোধিতা করে সরকারকে চিঠি মুসলিমদের

কূটনীতিকদের মতে অবৈধ অভিবাসনের চেষ্টা বাড়ছে। মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের আশায় অনেকে ঝুঁকি নিচ্ছেন। কিন্তু এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে যাওয়ার চেষ্টা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরে শ্রমিক কল্যাণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের চেষ্টা চলছে। ঠিক সেই সময়ে এমন ঘটনা ঘটায় অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, সরকারের নতুন উদ্যোগগুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হবে যদি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এতটা ঢিলেঢালা থাকে। মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধ অভিবাসন রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।