শালবনী: এসআইআর সংক্রান্ত কাজের চাপ অনেক বেশি ছিল। সাড়ে ১১-র বেশি ভোটারের বিভিন্ন তথ্য বিভিন্ন বার দফায় দফায় তুলতে চাপছিল তার (BLO) ওপর। অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছিল তাকে। তারপরেই প্রেসার সহ একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিষয়টি জানিয়ে চাপ কমানোর আর্জি জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। অবশেষে বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়িতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার অভিযোগ পরিবারের। তারপরেই সরব পরিবারসহ শাসক দল তৃণমূল। ছুটে গেলেন তৃণমূলের বিধায়কসহ অন্যান্যরা। সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ জানানোর কথা জানালেন তৃণমূল বিধায়ক।
মৃত ওই বিএলও এর নাম সুবিমল কারক (৫৭)। শালবনী থানার হাতিমারী এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক শিক্ষক তিনি। বিএলও-র কাজের দায়িত্ব ছিল তার ওপরে। সাড়ে এগারোশোর বেশি ভোটারের দায়িত্ব তার ওপর দেওয়া হয়েছিল। দফায় দফায় তাদের তথ্য সংগ্রহ ও আপলোডিং এর দায়িত্ব ছিল।
পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মেয়ের দাবি, অনেক রাত জেগে বাবাকে কাজ করতে হচ্ছিল। যে কারণে প্রেসার সমস্যা হয়েছিল। আধিকারিকদের বিষয়টি জানানো হয়েছিল। কিন্তু কোনরকম শিথিলতা দেয়নি। শেষ পর্যন্ত বাবা প্রাণ হারালেন।
বৃহস্পতিবার ভোরে এই ঘটনার কথা জানতে পারার পরেই সেখানে ছুটে যান তৃণমূলের মেদিনীপুর বিধানসভার বিধায়ক সুজয় হাজরা। পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে সমস্ত রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন। সেই সঙ্গে এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে “নির্যাতন কমিশন” উল্লেখ করে ক্ষোভ উগরে দিলেন। বিষয়টি নিয়ে আদালত পর্যন্ত যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এটিএন।



















