
আলিগড়: যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশে আবারও কঠোর পুলিশি অভিযানের সাফল্য। (Police Encounter)রবিবার সন্ধ্যায় আলিগড় জেলার আত্রৌলি এলাকার গোধা রোডে পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে নিহত হয়েছে দুই কুখ্যাত ডাকাত রাজা মোহাম্মদ ও মুবিন (মোমিন)। পুলিশ জানিয়েছে, এই দুই অপরাধী নারীদের বিশেষভাবে টার্গেট করে এক সপ্তাহেরও কম সময়ে আলিগড় জেলায় ১৫টির বেশি ডাকাতি করেছে।
Raja Mohammad & Mubeen were killed in police encounter in Aligarh, UP.
The duo had committed over 15 robberies targeting women in the area.
Police recovered pistols, cartridges, motorcycle and looted items; two cops injured.@Uppolice pic.twitter.com/XThOTwN9Oe
— Treeni (@treeni) May 25, 2026
দুজনের মাথার দাম ছিল পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে আলিগড় পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানান, গোপন সূত্রের খবর পেয়ে এসওজি (স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ) টিমসহ স্থানীয় পুলিশ আত্রৌলি এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশ টিমকে দেখে দুই অপরাধী গুলি চালাতে শুরু করে। প্রায় ২০-২৫ মিনিট ধরে চলে তুমুল গুলি বিনিময়। শেষ পর্যন্ত পুলিশের জবাবি গুলিতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।
আরও দেখুনঃ গগন কাঁপাতে আসছে ১১৪ রাফাল! ফ্রান্সের সঙ্গে মেগা ডিল, ৯০টি তৈরি হবে দেশেই
এই সংঘর্ষে দুজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁদের আলিগড় মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে দুটি পিস্তল, বেশ কয়েক রাউন্ড কার্তুজ, একটি মোটরসাইকেল এবং ডাকাতি করা সোনা-রুপার গয়নাসহ বিভিন্ন লুটের মাল। এই দুই অপরাধী গ্রামাঞ্চলের মাঠে কাজ করতে আসা মহিলাদের উপর হামলা করে গয়না ছিনিয়ে নিত। তাদের অত্যাচারে এলাকার মহিলারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।
অনেকেই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন যে, দিনদুপুরে মাঠে কাজ করার সময় এরা হামলা চালাত। কয়েকটি ক্ষেত্রে মহিলাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, “রাজা মোহাম্মদ ও মুবিন দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি, লুটপাট এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। আমরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের খুঁজছিলাম।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই দুজনের সঙ্গে আরও কয়েকজনের যোগসাজশ থাকতে পারে। তাদেরও খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।এই এনকাউন্টারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আলিগড়ের গ্রামাঞ্চলে স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়েছে। অনেক পরিবার এখন নিরাপদে কাজকর্ম করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।যোগী সরকারের আমলে উত্তরপ্রদেশে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘এনকাউন্টার’ নীতি বেশ আলোচিত। পুলিশের দাবি, এই পদ্ধতি অপরাধ কমাতে সাহায্য করছে। আলিগড়ের এসপি জানিয়েছেন, অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যারা নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







