বিপাকে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। আইনি জটিলতায় জড়ালেন অভিনেত্রী। শুক্রবার অংশ নিয়েছিলেন কলকাতায় ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিকৃত কার্টুন-সহ পোস্টার হাতে ছবি তোলার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। এই মর্মে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিনেত্রী শ্রীলেখার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কুরুচিকর ছবি ব্যবহার করে নেট-মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, বিতর্কিত ছবিটি ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল।
শনিবার আনন্দপুর থানায় শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ। অবিলম্বে তাঁর গ্রেফতারি জানান নেত্রী। কেয়া ঘোষ বলেন, “আমি শুধু দলীয় নেত্রী হিসেবে নয়, একজন দেশের নাগরিক হিসেবেও প্রধানমন্ত্রীর এমন কুরুচিকর ছবি দেখে ক্ষুব্ধ। অবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব।”
একই ঘটনায় বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানাতেও দায়ের হয়েছে অভিযোগ। অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি কর্মী সঞ্জয় পোইরা।
দায়ের করা অভিযোগ অনুসারে, শ্রীলেখা মিত্র শুক্রবার বামপন্থী সংগঠনের মিছিলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিকৃত কার্টুন-সহ পোস্টার হাতে নিয়ে ছবি তোলেন। এরপর এই ছবি সমাজমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, ভাইরাল হয়।
বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে যে পোস্টারে প্রধানমন্ত্রীর অবমাননাকর ও কুরুচিকর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। গেরুয়া শিবিড় মনে করছে যে এই ছবি সাধারণের মনে বিভ্রান্তি ও অসম্মান সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর জবাব দিতে নেট-মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করেন শ্রীলেখা মিত্র। ভিডিওবার্তায় তিনি দাবি করেন যে ওই বিতর্কিত পোস্টারটি অন্য একজন তাঁর হাতে দেন। সেই সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করার জন্য তড়িঘড়ি করে ছবি তুলতে হয়। শ্রীলেখা দাবি করেন যে পোস্টারটি ঘুরিয়ে দেখার তিনি সুযোগ পাননি। ফলে, কী ছবি ছিল তা তিনি জানতেন না। বিষয়টি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী। ভিডিওবার্তায় শ্রীলেখা বলেছেন, “আমাকে গ্রেফতার করলে করুক, আমি প্রস্তুত।”





