নয়াদিল্লি: অবশেষে যা চেয়েছিল আন্দোলনকারীরা, তাই হল।(dharmendra pradhan)কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান তাঁর পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চিঠি পোস্ট করে তিনি এই ঘোষণা করেন। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-এর কর্মী-সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েছেন।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দিপকে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে বলে উঠেছেন, “আমরা পেরেছি! ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন।”ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবরটি যেন সিজেপি কর্মীদের জন্য উৎসবের দিন এনে দিয়েছে। দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে যন্তরমন্তর ও তার আশপাশের এলাকায় সমর্থকরা আনন্দে মেতে ওঠেন। অভিজিত দিপকে একটি ভিডিয়ো বার্তায় বলেন, “এটা শুধু একজন মন্ত্রীর ইস্তফা নয়, এটা আমাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফল।
আরও দেখুনঃ ধর্মেন্দ্রর ইস্তফাতেও মিলল না স্বস্তি! ফের রণক্ষেত্র যন্তরমন্তর
জনগণের দাবির কাছে সরকারকে মাথা নত করতেই হয়েছে।”সিজেপির কর্মীরা এই সাফল্যকে ‘জনতার জয়’ বলে অভিহিত করছেন। তাঁদের দাবি, সর্বভারতীয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন।
অভিজিত দিপকে আরও বলেন, “আমরা কখনো হার মানিনি। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা এই ফল পেয়েছি।”তবে এই উল্লাসের মধ্যেও রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা কি সত্যিই চাপে পড়ে দেওয়া, নাকি অন্য কোনো কৌশল।এ নিয়ে জল্পনা চলছে। বিজেপির একাংশ অবশ্য বলছে, মন্ত্রী ব্যক্তিগত কারণে ইস্তফা দিয়েছেন। কিন্তু সিজেপি কর্মীরা তা মানতে নারাজ।
আরও দেখুনঃ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রক্তপাতের পরিকল্পনা! অসম এসটিএফের হাতে গ্রেফতার আকরামুল-আবুল হোসেন
তাঁরা দাবি করছেন, তাঁদের আন্দোলনের চাপেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।যন্তরমন্তর এলাকায় উদযাপনের মধ্যে কিছু অংশে উত্তেজনাও দেখা গেছে। কয়েকজন উচ্ছ্বাসিত কর্মী পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তবে বেশিরভাগ জায়গায় উদযাপন শান্তিপূর্ণভাবেই চলেছে।




