বহরমপুরে গঙ্গা ভাঙ্গন রোধে কেন্দ্রের কাছে ৩,৬০০ কোটি টাকার প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর

বহরমপুর: গঙ্গার ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মুর্শিদাবাদ ও মালদহ (Ganga)জেলার মানুষের জন্য বড় স্বস্তির খবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বহরমপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, গঙ্গার ভাঙন…

ganga-erosion-project-murshidabad

বহরমপুর: গঙ্গার ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মুর্শিদাবাদ ও মালদহ (Ganga)জেলার মানুষের জন্য বড় স্বস্তির খবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বহরমপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, গঙ্গার ভাঙন রোধে ৩,৬০০ কোটি টাকার প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ টাকা কেন্দ্র এবং বাকি ৫০ শতাংশ রাজ্য সরকার দেবে।

বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে স্থায়ী সমাধানের জন্য ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গঙ্গার ভাঙন আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। ৩,৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান করা হবে। মুর্শিদাবাদে ২,৫০০ কোটি টাকা ব্যয় করে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তার এই ঘোষণায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

আরও দেখুনঃ ‘আইন হাতে নিলে রেহাই নেই’: সোমেই লাগু গুণ্ডা দমন আইন, UCC নিয়েও বার্তা

দীর্ঘদিন ধরে গঙ্গার ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তাদের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ১৫ লক্ষ আবেদনকারীর মধ্যে ১২ লক্ষ নারী ইতিমধ্যে টাকা পেয়েছেন। তিনি বলেন, “নারীরা আমাদের সমাজের মূল স্তম্ভ। তাদের ক্ষমতায়ন ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়।

অন্নপূর্ণা যোজনায় নারীদের সরাসরি আর্থিক সাহায্য দেওয়া হচ্ছে।” এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের আর্থিক স্বাবলম্বিতা বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রবাসী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনার নির্দেশও দিয়েছেন। তিনি প্রশাসনকে বলেছেন, যারা বাইরে কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন, তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বলেন, “আমি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি প্রবাসী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনতে।

আরও দেখুনঃ মন্দারমণির দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্রবন্দরের পথ প্রশস্ত: রিপোর্ট পৌঁছাল নবান্নে

তারা আমাদের নিজস্ব মানুষ। তাদের পুনর্বাসনে কোনো অসুবিধা হবে না।”সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প, পিএম আন্না সুরক্ষা যোজনার রেশন এবং আয়ুষ্মান ভারতের অধীনে বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা মিলিয়ে প্রান্তিক পরিবারগুলো প্রতি মাসে ১৫ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত সুবিধা পেতে পারে। তিনি বলেন, “আমাদের হিসাব অনুসারে একটি প্রান্তিক পরিবার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে এই পরিমাণ সাহায্য পাবে। এতে তাদের জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত হবে।”

আরও দেখুনঃ কলকাতা মেট্রোর ইতিহাসে নতুন মাইলফলক! ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল স্টেশনে টিবিএম ‘দুর্গা’র সফল ব্রেকথ্রু