নয়াদিল্লি: রাজনৈতিক ঘূর্ণাবর্তে নতুন মোড়। বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় ধাক্কার পর (Sonia Gandhi)দিল্লির রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ইন্ডি জোটের বৈঠকের পর সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং অভিষেক। এই বৈঠকে কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেত্রী সোনিয়া গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসে ফেরার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
বিশ্বস্ত রাজনৈতিক সূত্র ও কয়েকটি জাতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুসারে, এই প্রস্তাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জাতীয় সহ-সভাপতি এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে দাবি উঠেছে।গত ৯ জুন নয়াদিল্লির ১০, জনপথে সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠক হয়েছে।
আরও দেখুনঃ স্বরূপকে সঙ্গে নিয়ে টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োতে পুলিশের তল্লাশি অভিযান
INDIA জোটের বৈঠকের পরদিন এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী মমতাকে কংগ্রেসে ফিরে আসার বা দলীয় একীভূতকরণের প্রস্তাব দিয়েছেন। মমতা এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেননি, বরং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছেন বলে খবর।বৈঠকের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে যান এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে পৃথক আলোচনা করেন।
এই ঘটনাগুলোকে একসূত্রে গেঁথে অনেকে মনে করছেন, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকটের মধ্যে মমতা শিবির রাজনৈতিক শক্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক ও সাংসদের বিদ্রোহ ও দলবদলের জল্পনা ইতিমধ্যে তীব্র হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলানো একটা কৌশলগত বিকল্প হতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
কংগ্রেস ও তৃণমূলের কোনো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে একীভূতকরণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। কয়েকটি সূত্র বলছে, বৈঠকে মূলত ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী জোটের কৌশল, সমন্বয় ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চললেও বর্তমান সংকটে জোটের ঐক্যকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা উভয় পক্ষই অনুভব করছেন।



















