কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে চলেছেন বিধাননগরের বিধায়ক তথা প্রথিতযশা চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বুধবার নিউ টাউনের রামমন্দিরে পুজো দেওয়ার পর এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ঘোষণা করেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজের প্রথম প্রতিক্রিয়ায় শারদ্বতবাবু সংক্ষেপে বলেন, “সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।” (sharadwat mukherjee is the west bengals new health minister)
মোদীর ১২ বছরের সাফল্য উদযাপনে পুজো
ভারতের ইতিহাসে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জওহরলাল নেহরুকেও পিছনে ফেলেছেন নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর আসনে তাঁর দীর্ঘ ১২ বছরের গৌরবময় শাসনকাল এবং সাফল্যকে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে দেশজুড়ে বিশেষ প্রচার কর্মসূচি শুরু করেছে বিজেপি। এরই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রার্থনা জানিয়ে বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় স্থানে পুজো দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বুধবার নিউ টাউনের রামমন্দিরে সেই পুজো ও ধর্মীয় আচারে অংশ নিতেই হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
মঞ্চ থেকেই বড় চমক মুখ্যমন্ত্রীর
পুজো ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যখন মঞ্চ থেকে উপস্থিত দলীয় নেতানেত্রীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তিনি রাজ্যের পরবর্তী স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করে চমক দেন।
শুভেন্দুর ঘোষণার সময় শারদ্বত মুখোপাধ্যায় খোদ সেই মঞ্চেই উপস্থিত ছিলেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাব এই এলাকার বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়াজিকে, যিনি খুব সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন। ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের রাজারহাট-গোপালপুরের তরুণ বিধায়ক তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারিকে এবং বিজেপির রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে ধন্যবাদ জানাচ্ছি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী, বিধানগরের বিধায়ক এবং প্রথিতযশা চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।”
রাজ্যে প্রশাসনিক পরিবর্তনের পর স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন সরকারের অন্যতম মূল লক্ষ্য। এই পরিস্থিতিতে একজন পেশাদার ও অভিজ্ঞ চিকিৎসককে স্বাস্থ্য দপ্তরের ক্যাবিনেট মন্ত্রী পদে বসানোর মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক ও ওয়াকিবহাল মহল।




















