
কলকাতা: রাজ্যে দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের পর ঘটেছে পালাবদল। (Samik Bhattacharya)যারা একসময় তৃণমূলের ঝান্ডা ধরে মিছিলে হেঁটেছিলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায় ধরাশায়ী হওয়ার পর থেকেই তারা গেয়েছেন উল্টোসুর। একের পর এক মুখপাত্র তৃণমূলের বিরুদ্ধর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এই আবহেই ফের একবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন এই মুহূর্তে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন দিয়ে আছেন তৃণমূলীরা। তবে কাকে নেওয়া হবে কাকে নয় তা দল সিদ্ধান্ত নেবে।
#WATCH | Delhi | On TMC leaders seeking to join the BJP, West Bengal BJP President Samik Bhattacharya says, “TMC is not a political party and whoever was associated with TMC was there for the power… Now, the BJP is in power… So, now it is the responsibility to uphold the… pic.twitter.com/PL8WPacJrh
— ANI (@ANI) May 22, 2026
দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস আসলে কোনো রাজনৈতিক দল নয়। যারা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা মূলত ক্ষমতার জন্যই ছিলেন। এখন বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। তাই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যে সমর্থন দেখিয়েছেন, সেটাকে ধরে রাখা এবং সঠিকভাবে পরিচালনা করা আমাদের দায়িত্ব।”শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, “আমি এটা বলছি না যে তৃণমূলের সবাই কলঙ্কিত বা দুর্নীতিগ্রস্ত।
আরও দেখুনঃ মালার ডাকে ভিজিটর্স রুমেই তৃণমূল কাউন্সিলরদের বৈঠক, গরহাজির ৫০
তাঁদের মধ্যে অনেক ভালো মানুষও আছেন, যাঁরা এখন বিজেপিতে যোগ দিতে চান। বাকি সিদ্ধান্ত দল নেবে। আরও অনেকের নাম লাইনে রয়েছে।”পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার গঠনের পর রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধরনের পালাবদল শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতা-মন্ত্রী এবং স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি এখন বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বিজেপি সভাপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দল কাউকে অন্ধভাবে গ্রহণ করবে না। যোগ্যতা, স্বচ্ছতা এবং দলের প্রতি আনুগত্য দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “যাঁরা সত্যিকারের উন্নয়ন চান এবং মানুষের সেবা করতে চান, তাঁদের জন্য বিজেপির দরজা খোলা। কিন্তু যাঁরা শুধু সুবিধা খুঁজছেন, তাঁদের জন্য জায়গা নেই।”রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে এই বক্তব্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিজেপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, গত কয়েক মাসে তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা গোপনে যোগাযোগ করছেন।
কয়েকজন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক এবং পঞ্চায়েত প্রধান ইতিমধ্যে দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। শমীক ভট্টাচার্যের কথায় বোঝা যাচ্ছে, আরও বড় ধরনের দলবদলের সম্ভাবনা রয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক সুবিধাবাদ’ বলে সমালোচনা করা হয়েছে।













