হকারদের উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। (Madan Mitra)ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে তৃণমূল নেতা মদন মিত্র তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শুধু পুলিশ প্রশাসনই নয়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও সরাসরি নিশানা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মদন মিত্র বলেন, “তৃণমূল আর ক্ষমতায় নেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর মুখ্যমন্ত্রী নন, তৃণমূলের মাত্র ৮০ জন বিধায়ক আছে। কিন্তু এখনও পুলিশ তৃণমূলকে ভয় পাচ্ছে।” তাঁর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
আরও দেখুনঃ ‘ভারতকে ভালোবাসি, কিন্ত বন্দে মাতরম নয়!’ মত কলকাতা খিলাফত কমিটির
তৃণমূল নেতার অভিযোগ, তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন। বিশেষ করে কতজন হকার আক্রান্ত হয়েছেন এবং কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা জানতেই তাঁদের এই সফরের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। মদন মিত্র দাবি করেন, পুলিশ জানায় যে ডিআরএম অনুমতি দেয়নি, তাই তাঁরা এগোতে পারবেন না। এই ঘটনায় তিনি প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও সরাসরি আক্রমণ করেন মদন মিত্র। তিনি বলেন, “আমি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য। আপনি দিল্লি ঘুরে বেড়ান, আর আমরা সেই হকারদের কাছে যেতে চাই যাদের মারধর করা হয়েছে। কিন্তু এখানে পুলিশ মোতায়েন করে আমাদের আটকে দেওয়া হচ্ছে। এটা ঠিক নয়, এভাবে চলতে পারে না।” তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
তৃণমূলের দাবি, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে গেলে যদি রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের বাধা দেওয়া হয়, তবে তা গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোর জন্য উদ্বেগজনক। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল।




















